Exclusive এবার সাংগঠনিক ভাবে উত্তর চব্বিশ পরগনাকে ভাঙছে তৃণমূল - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 4 July 2021

Exclusive এবার সাংগঠনিক ভাবে উত্তর চব্বিশ পরগনাকে ভাঙছে তৃণমূল




ঋষি কাশ্যপ, প্রেসকার্ড নিউজ : এবার সাংগঠনিক ভাবে উত্তর চব্বিশ পরগনাকে ভাঙছে তৃণমূল। সাংগঠনিক ভাবে দু ভাগে ভাগ করা হতে পারে রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলাকে। খবর তৃণমূল সুত্রের। আর এটা হলে সংগঠনের শীর্ষ পদ থেকে সরতে চলেছেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। 


তৃণমূল সুত্রের খবর দুই এক দিনের মধ্যেই উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলাকে দুভাগে ভাগ করা হতে চলেছে। বারাকপুর শিল্পাঞ্চল নিয়ে একটা ভাগ আরেকটা ভাগ হবে বিধাননগর, বারাসত, বনগাঁ ও বসিরহাট নিয়ে। 


জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করে দু জন জেলা সভাপতি করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সংগঠনের তরফে। তৃণমূল সুত্রের খবর, বারাকপুরের জেলা তৃণমূলের সভাপতি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ পার্থ ভৌমিক। বিধাননগর, বারাসত, বনগাঁ ও বসিরহাট ভাগের জেলা সভাপতি হওয়ার দৌড়ে রয়েছে একাধিক নাম। তৃণমূল সুত্রের দাবি, এই ভাগের জেলা সভাপতি হওয়ার দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছেন অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। 


তৃণমূল সুত্রের আরও দাবি, নারায়ণ গোস্বামী এগিয়ে থাকলেও বারাসত থেকে বিধাননগর এমনকি বনগাঁ ও বসিরহাটের বিরাট অংশের নেতারা নারায়ণ গোস্বামীকে চাইছেন না। নারায়ণ গোস্বামী পক্ষের তুলনায় বিরোধী শিবির অনেক বেশি শক্তিশালী। 


তৃণমূল সুত্রের আরও দাবি, উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার জেলাপরিষধের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নারান গোস্বামীর এখন বিধায়কও। তৃণমূল কংগ্রেস প্রথমবার যে তালিকা বিধানসভা নির্বাচনে প্রকাশ করেছিল সেখানে তার নাম ছিল না। একটি মহিলা ঘটিত ভিডিও ভাইরাল হওয়া স্বত্তেও ততকালিন বিধায়ক ধীমান রায়ের নাম ঘোষণা হয়। তখন পুরানো সেই ভিডিও ফের ভাইরাল করা হয়। পরবর্তীতে আমডাঙা ও অশোকনগরের দুই প্রার্থী পরিবর্তন করায় টিকিট পান নারায়ণ গোস্বামী। এই টিকিট পর্বে নারায়ণ গোস্বামীর বিরোধীতায় ছিলেন জেলার কয়েক জন হেবিওয়েটরা। তবে সেই যুদ্ধে শেষ হাসি হাসেন নারায়ণ গোস্বামী এবং ভোটেও বহু আভ্যন্তরীণ কোন্দল কাটিয়ে জিতে আসেন। 


তৃণমূল সূত্রের খবর, নারায়ণ গোস্বামীকে নিয়ে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা নেতৃত্বের মধ্যে আড়াআড়ি ভাগে দুটি টিম তৈরি হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। সুত্রটি একটি চিঠি দেখিয়ে বলেন, এখন থেকে জেলা নেতৃত্বের কেউ যদি কোনও কর্মসূচি নেয় তাহলে জেলার টাউন সভাপতিদের অনুমতি নিতে হবে। এমনকি কাদের নাম ও ছবি কর্মসূচি ঘিরে থাকবে তার জন্যও নিতে হবে অনুমতি। সুত্রের দাবি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নারায়ণ গোস্বামী লবিকে দূর্বল করার জন্য। 


ইয়াস ঝড়ের পর বসিরহাটে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার দিক থেকে নারায়ণ গোস্বামী এগিয়ে আছেন বলে দাবি করেছে সূত্রটি। সূত্রের দাবি, বসিরহাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে ত্রাণ দিয়েছে তা সাপ্লাই দিয়েছিলেন নারায়ণ গোস্বামী। 


এখন দেখার উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনকে কি ভাবে ঢেলে সাজান নেতৃত্ব। জেলা নেতৃত্বের অনেকের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে সকলেই নেত্রী যা ভালো বুঝবেন তাই করবেন মন্তব্য করে এড়িয়ে যান।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad