নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর ২৪ পরগনা: রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বৈঠকসহ একাধিক বৈঠক অনুপস্থিত থাকার পর ফের কেন্দ্রীয় জলশক্তি প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক সভায় গরহাজির বিজেপির একাধিক নেতা, বিধায়ক ও সাংসদ।
শনিবার দুপুরে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার নেতাদের নিয়ে বনগাঁ জেলা অফিসে দলের কর্মকর্তা দের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর গাজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত ।
সেই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দেখা মিলল না বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কির্তনীয়া, গাইঘাটার সুব্রত ঠাকুরের ৷ বিধায়ক, সাংসদদের পাশাপাশি এ দিনের বৈঠকে দেখা যায়নি বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক দেবদাস মন্ডলকেও।
কেন তারা এলেন না?
বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া জানিয়েছেন, তিনি ঘুরতে গিয়েছেন। অনেক আগেই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস, গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরের প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক দেবদাস মন্ডল ফোনে জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগত কাজে দিল্লীতে আছেন। সভাপতির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে।
৩ বিধায়কের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে গাজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত বলেন, 'অনেকের ব্যক্তিগত কাজ বা পূর্ব পরিকল্পিত কর্মসূচি থাকতে পারে৷ যারা এসেছে তাদেরকে নিয়ে মিটিং হবে।' পাশাপাশি সিএএ রাজ্যে কবে লাগু হবে সেই প্রশ্নে বলেন, "সিএএ আইন যখন হয়েছে তা প্রয়োগ হবে। প্রয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যের বড় ভূমিকা থাকে। রাজ্যে উপনির্বাচন হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, "এটা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, এ ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই।"
বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে জেলা সভাপতিদের বিরোধ বেেঁধেছে। দুজনের অনুগামীরা এখন আড়াআড়ি ভাবে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে৷ বিভিন্ন কর্মসূচিতে একপক্ষ গেলে আরেক পক্ষকে দেখা যায় না।তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কো-অর্ডিনেটর গোপাল শেঠ বলেন, "গতানুগতিক কথাই বলতে হয়। ভারতীয় জনতা পার্টির বনগাঁর যা দুরবস্থা তাতে পার্টিতে কেউ থাকতে চাচ্ছেনা।" মন্ত্রীকে খাজা গজা বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, "নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ আগে বাংলায় ডেলি প্যাসেঞ্জারি করছেন তারা এখন খাজা গজাদের পাঠাচ্ছেন, ভাই দেখে আয় বাংলায় কি অবস্থা।"
সি এ এ প্রসঙ্গে গোপাল শেঠ বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে দিয়েছে বাংলায় সিএএ হবে না।"
No comments:
Post a Comment