প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক: টানা চারদিন দৈনিক সংক্রমণ কুড়ি হাজারের ওপর। ফলত স্বাভাবিক ভাবেই চিন্তার ভাঁজ পড়েছে রাজ্য সরকারের কপালে। ঘটনা কেরলের। এমনকি কেরলের এই পরিস্থিতি কী করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সংকেত! সেই নিয়েই উদ্বিগ্ন গোটা দেশ।
শনিবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, শেষ ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০,৭৭২ জন। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ লক্ষ ৭০ হাজার ১৩৭ জন। করোনারি প্রকোপে মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৭০১ জনের। শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা জয় করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৪,৬৫১ জন এবং সুস্থতার মোট সংখ্যা ৩১ লক্ষ ৯২ হাজার ১০৪ জন। রাজ্যের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে মালাপ্পুরাম, কোঝিকোরে, এর্নাকুলাম, ত্রিশূর, তিরুবন্তপুরম ইত্যাদি।
করোনার সংক্রমণ রুখতে ইতিমধ্যেই সপ্তাহান্তে সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করেছে কেরল সরকার। কিন্তু তারপরেও পরিস্থিতি যেন কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। কেরলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় দল। ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের ডিরেক্টর বলেন, 'অনেক জায়গায় দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা কমলেও সংক্রমনের বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি। আর এটাই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।'
উল্লেখ্য আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে দেশে আছড়ে পড়তে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ, যার মাত্রা সেপ্টেম্বরে আরও চরমে পৌঁছাবে, এমনই জানানো হয়েছিল একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। আর সেই ভয়েই কোনও রাজ্যই বিধিনিষেধ তুলে নেয়নি সম্পূর্ণ। জোর দেওয়া হয়েছে করোনার টিকাকরণেও।
এখনও পর্যন্ত দেশের ১২ টি রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৫১ জনের শরীরে ডেল্টা প্লাস রূপের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। আর করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আগমনের পেছনে যে এই ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ন্টই দায়ী, সেকথাও উড়িয়ে দিচ্ছে না ওয়াকিবহাল মহল। তার ওপর কেরলে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেরই আশঙ্কা, এই ক্রমবর্ধমান আক্রান্তের সংখ্যাই তৃতীয় ঢেউ আসার আগাম সংকেত নয় তো!
No comments:
Post a Comment