পশ্চিমবঙ্গের এই বিজেপি নেতা তৃণমূলের বিরুদ্ধে সংসদীয় ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগে গোটা দেশে বিজেপি প্রচার চালাতে চলেছেন - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 13 July 2021

পশ্চিমবঙ্গের এই বিজেপি নেতা তৃণমূলের বিরুদ্ধে সংসদীয় ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগে গোটা দেশে বিজেপি প্রচার চালাতে চলেছেন

 





পিএসি চেয়ারম্যান পদে মুকুল রায়ের 'অভিষেক'কে সংসদীয় ব্যবস্থার রাজনীতিকরণ বলে তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বিধানসভার ৮  কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে গণইস্তফা দেন বিজেপি বিধায়করা। এরপর শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা যান রাজভবনে। সেখান থেকে বেরিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন,'বিজেপির পরিষদীয় দলের মতামত না নিয়ে ৮টি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পদে বিজেপি বিধায়কদের বসিয়েছিলেন স্পিকার। পিএসি চেয়ারম্যান নিয়ে রাজনীতিকরণের জন্য তা প্রত্যাখ্যান করেছি।' এর পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে সংসদীয় ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগে গোটা দেশে বিজেপি প্রচার চালাতে চলেছে বলেও জানান শুভেন্দু। 


মুকুল রায়কে পিএসি চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাবে বিজেপি বিধায়ক হিসেবে উল্লেখ করেছেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁর আবেদনের মীমাংসার আগে কীভাবে মুকুলকে বিজেপি বিধায়ক বললেন স্পিকার, সেনিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,'তৃণমূল ভবনে তৃণমূলের সভানেত্রীর সামনে উত্তরীয় পরে তৃণমূলে যোগদান করেছেন মুকুল রায়। আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মাকে তৃণমূলের পতাকা ধরাচ্ছেন। ভেরিভায়েড টুইটার হ্যান্ডেলে নিজেকে অল ইন্ডিয়া তৃণমূলের নেতা হিসেবে টুইট করেছেন। সব আমরা সংগৃহীত করেছি। অধ্যক্ষ মহোদয়ের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ৭ জন বিজেপি বিধায়কের মধ্যে মুকুল রায়কে বেছে নেওয়া হল। ইতিমধ্যেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে বিরোধিতা করেছি। শুনানি ১৬ জুলাই। তার আগেই রায় ঘোষণা করে দিয়েছেন যে মুকুল রায় ভারতীয় জনতা পার্টির বিষয়। এ সমস্ত বিষয় নিয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছি। লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে।'


সমস্ত নথির প্রতিলিপি লোকসভার স্পিকার ও রাষ্ট্রপতি কাছে জমা দিতে চলেছে বিজেপি। এর পাশাপাশি দেশজুড়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারে নামছে তারা। বিরোধী দলনেতা বলেন,'এই প্রতিলিপি রাষ্ট্রপতি এবং লোকসভার অধ্যক্ষর কাছে পৌঁছে দেব। আর আগামিকাল থেকে ভারতের প্রতিটা রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে লিডার অব হাউসের নেতা, বিরোধী দলনেতা, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের কাছে পাঠাব। তারা জানুক,পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে সংসদীয় ব্যবস্থার রাজনীতিকরণ, গণতন্ত্রকে কণ্ঠরোধ এবং বিরোধীদের মর্যাদা ও সম্মান কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। সংসদীয় ব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক বিধি সব কিছু ভূলুণ্ঠিত করছে ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ তৃণমূলে কংগ্রেস ও তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব রাজ্যে চলবে প্রচার।'  

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad