প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক :নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর ২৪ পরগনা: বাড়িতে এসে যুব নেতার উপর দুষ্কৃতী হামলার অভিযোগ। পুলিশকে ফোন করে সাহায্য না পেয়ে ক্ষোভ আক্রান্ত যুব তৃণমূল নেতা ও এলাকাবাসীর। হামলার পেছনে দলের নেতারা যুক্ত রয়েছে অনুমান আক্রান্তের। বিষয়টিতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান।
গভীর রাতে গোবরডাঙ্গার গনদীপায়ন এলাকার যুব তৃণমূল নেতার উপর অতর্কিতে হামলা। বেধড়ক মারধোর করে গলা টিপে খুনের চেষ্টা দুষ্কৃতীদের বলে অভিযোগ। আক্রান্ত তৃণমূল যুব নেতার নাম শঙ্কর ঘোষাল। শংকর জানায়, বৃহস্পতিবার রাত দুটো নাগাদ তার বাড়িতে এসে হামলা করে কাপড়ে মুখ ঢাকা ৩ দুষ্কৃতী। বেধড়ক মারধোর, পেটানোর পাশাপাশি গলা টিপে খুন করার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা । এমনকি ওই তৃণমূল নেতাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে তার চিৎকার-চেঁচামেচিতে পরিবার ও এলাকার লোকজন ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। আক্রান্ত নেতার পরিবারের একটি অটোতেও হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা এমনও অভিযোগ উঠেছে। এলাকার বাসিন্দাদের তৎপরতায় ওই যুব নেতার চিকিৎসা করা হয় হাবড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে।
ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই খবর দেওয়া হয় গোবরডাঙা থানার। অভিযোগ, পুলিশ শুক্রবার বেলা ১১ টা নাগাদ ওই যুব নেতার বাড়িতে আসে। প্রশাসনের উপর তারা আস্থা হারিয়ে ফেলছেন। পুলিশ ঠিকঠাক কাজ করছে না এমনই অভিযোগ শংকর ও এলাকাবাসীর। ঘটনার খবর পেয়ে হাবড়া-১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ও স্থানীয় পঞ্চায়েতের প্রধান যায় আহত শঙ্করের বাড়িতে। এলাকাবাসীর তরফে প্রশাসনিক নিরাপত্তা চেয়ে ও দুষ্কৃতীদের শাস্তির দাবীতে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে গোবরডাঙা থানায়। পাশাপাশি আক্রান্তের তরফেও গোবরডাঙা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ।
স্থানীয় বেড়গুম-২ পঞ্চায়েত প্রধান রুমা সরকার বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। দলের কেউ যুক্ত থাকলে তার শাস্তি হোক বলেন তিনি। আক্রান্তের অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার বেড়গুম দু'নম্বর অঞ্চলের তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্বে থেকে কল্যাণ দত্তকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। তাই পেছনে কল্যাণের হাত থাকতে পারে অনুমান আক্রান্তের। যদিও এদিন কল্যাণ আক্রান্ত যুব নেতার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে কিছুই বলতে চাননি।

No comments:
Post a Comment