ডেঙ্গি নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি তরজা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 20 June 2021

ডেঙ্গি নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি তরজা


নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর ২৪ পরগনা: ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে ডেঙ্গি রোগের মতো মহামারীর ঘটনা ঘটেছে হাবড়ায়। পরপর দু'বছর এর মাসুল দিতে হয় প্রায় শতাধিক মানুষকে। ডেঙ্গির থাবায় প্রাণ যায়, হাবড়াবাসীর একটি বৃহত্তর  অংশের এবং পার্শ্ববর্তী দেগঙ্গা, অশোকনগর সহ বেশকিছু এলাকার বাসিন্দাদের। এতে করে প্রশ্ন উঠেছিল হাবড়া পৌরসভার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে। 


চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বেশ কিছু সময় বৃষ্টির জল জমা থাকলে সেই জমা জল থেকেই ডেঙ্গু মশার লার্ভা তৈরি হয়, আর সেই লার্ভা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে বৃহত্তর এলাকায়। হাবড়ার বুকে পরপর ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় তড়িঘড়ি ২০১৭ সালে তৎকালীন স্বাস্থ্য অধিকর্তা বিশ্বরঞ্জন সৎপতি তিনি হাবড়ায় আসেন। হাবড়ার পৌর এলাকা এবং পঞ্চায়েত এলাকায় ঘুরে দেখেন এবং হাবড়া হাসপাতালকে ৩০০ বেডের সুপার স্পেশালিষ্ট হাসপাতাল হিসেবে করা হবে বলে জানিয়েছেন। যদিও বছর খানেক বাদে ২০১৮ সালে ডেঙ্গি পুনরায় মহামারী রূপ ধারণ করে ততদিনে স্বাস্থ্য অধিকর্তা পরিবর্তন হয়ে নতুন স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তীও পরিস্থিতি ক্ষতিয়ে দেখতে নিজেই হাবড়ায় আসেন। তবে তখন স্বাস্থ্য অধিকর্তা সহ তৎকালীন জেলাশাসক অন্তরা আর্চার্য পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তিনিও বলেছিলেন দ্রুত তিনশো বেডের হাবড়া হাসপাতাল তৈরি করা হবে।


দীর্ঘ কয়েক বছর কেটে ২০২১ সালেও সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল হাবড়াবাসীর। ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নিকাশি ব্যবস্থা কিছুটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হলেও এখনও অনেকটা একইরকম রয়েছে। এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় কয়েকদিনের জল জমেছে, তাই চিন্তার ভাঁজ সাধারণ মানুষের কপালে।পৌরসভার পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তারা। আর এই নিয়ে অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কটাক্ষ করে বিজেপি বলে, হাবড়া পৌরসভার কোন জনপ্রতিনিধি বোর্ড নেই, তবে বর্তমান সরকার দ্বারা পরিচালিত হাবড়া পৌরসভার পৌরবোর্ড, তারা নিজেদের কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত, সেখানে দাঁড়িয়ে কিভাবে তারা নাগরিকদের পরিষেবা দেবেন!


পাল্টা উত্তর দিতে ছাড়েনি তৃণমূল। তারা বলে, বিজেপি একুশে হারার পর উন্মাদ হয়ে গেছে তাই এই সব বলেছে। স্বাস্থ কর্মীরা প্রতিনিয়ত এলাকায় যাচ্ছেন তবে কয়েকটি জায়গায় সমস্যা হচ্ছে কারণ কিছু বাসিন্দারা তাদের বাড়ির ছাদে ফুলের টবে জমা জল রেখে দেন, যা চিন্তার কারণ। আর অনেকেই নিজেদের বাড়ির ছাদে উঠতে দেয় না স্বাস্থ্য কর্মীদের।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad