প্রেসকার্ড ডেস্ক: বর্তমানে জনপ্রিয় 'সাহসী' শূকরের মৃত্যুর কারণে চীনে শোকের পরিবেশ রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই শূকরটির কথা স্মরণ করে লোকেরা তাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন এবং তাঁর সাহসিকতার গল্প বলছেন। এই শুয়োরের বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান হ্যাশট্যাগও ট্রেন্ড করছে। 'ঝু জিয়ানকিয়াং' নামের এই শুয়োরটি বার্ধক্যের কারণে মারা গেছে।
চীনে এই শূকরটির দুঃসাহসিকতার গল্প সর্বত্র স্বীকৃত। আসলে, ২০০৮ সালে চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ৯০ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিলেন আর কয়েকজন নিখোঁজ হয়েছিলেন। এছাড়াও, সাড়ে ৩ লাখেরও বেশি লোক আহত হয়েছিলেন। এই শুকরটি একাই সেই বিপর্যয় থেকে বেঁচে ফিরে এসেছিল। এই শূকরটি ৩৬ দিনের জন্য ধ্বংসস্তুপে সমাধিস্থ ছিল।
জল এবং আলো ছাড়া এই শূকর জীবন এবং মৃত্যুর সাথে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত বেঁচে ফিরেছিলেন। তার ওজন এতটাই কমে গিয়েছিল যে, তাকে ছাগলের মতো দেখতে লাগছিল।
ধ্বংসস্তূপে ৩৬ দিন বেঁচে থাকার পরে তিনি সারা দেশে বিখ্যাত হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, ইচ্ছার গল্পটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছিল। দক্ষিণ চীন মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, এটি একটি চিড়িয়াখানার মালিক ভূমিকম্পের পরে ৪৫০ ডলারে কিনেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, বুধবার রাতে শূকর মারা গেছে বার্ধক্যের কারণে। এই শূলরটি চিড়িয়াখানায় বছরের পর বছর পর্যটকদের আকর্ষণ কেন্দ্র ছিল।

No comments:
Post a Comment