প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার প্রথম ভার্চুয়াল বৈঠকে মোদী-মমতা। আর বৈঠক শেষেই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর। মমতার অভিযোগ, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শুধু নিজের কথা বলে গেলেন। কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে একটাও কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এটি ওয়ান ওয়ে কনফারেন্সও নয়, এটি ওয়ান ওয়ে ইনসাল্টেশন, বৈঠক শেষে ব্যাখ্যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
বৃহস্পতিবার দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ১০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক ডেকেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করোনা মোকাবিলা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের কোনও কথাই বলতে দেননি বলে অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীদের পুতুলের মতো বসিয়ে রাখা হয়েছিল। ওষুধ-অক্সিজেনের অবস্থা নিয়ে কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করেননি। ভেবেছিলাম আমাদের বলতে দেওয়া হবে। আমরা ক্রীতদাস নই। বৈঠকে ওয়ান ওয়ে ইনসাল্টেশন, ওয়ান ওয়ে হিউমিলিয়েশন হয়েছে।’
মমতার আরও বলেন, ‘‘আজ বৈঠকে করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলাম। রাজ্যের জন্য ভ্যাকসিন চাইব ভাবছিলাম। কোনও কথা বলার সুযোগ দেওয়া হল না। কিছুই জানতে চাইলেন না উনি। রাজ্যগুলি কীভাবে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে সেই সম্পর্কে খোঁজও নিলেন না প্রধানমন্ত্রী। শুধু নিজের কিছু কথা বলে গিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীরা পুতুলের মতো বসেছিলেন। সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের প্রতিবাদ করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।’’
প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিহার ভোটের আগে বলেছিলেন, বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দেব। বাংলার ভোটের আগেও একই প্রতিশ্রুতি দেন। এখন মুখ লুকিয়ে পালাচ্ছেন।’ ‘শুম্ভ-নিশুম্ভের মতো ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছেন। ভোটের পর হিংসা দেখতে দল পাঠাচ্ছে, ভ্যাকসিন আনতে পাঠিয়েছে?’ মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন।
পাশাপাশি এদিন, ভ্যাকসিন নেওয়ার সময়সীমা বদল, কেন্দ্রের ভ্যাকসিন নীতি নিয়েও সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

No comments:
Post a Comment