প্রেসকার্ড ডেস্ক: বুধবার রাতে কেশপুরের চার নম্বর অঞ্চলের হরিহরচক এলাকায় তৃণমূলে কার্যালয়ে খাওয়া-দাওয়া হচ্ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর দলুই (৪০) নামে এক তৃণমূল কর্মী। অভিযোগ, রাত ১০ টা নাগাদ বিজেপি-আশ্রিত দুষ্কৃতিরা সেখানে আসে,তারপর সেই তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে তাদের বচসা হয়।
এরইমধ্যে হিচড়ে নিয়ে যাওয়া হয় উত্তমকে। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের থেকে কিছুটা দূরেই একটি কালভার্টের কাছে নিয়ে গিয়ে ছুরি দিয়ে কোপানো হয় তাকে।এরপর অচৈতন্য অবস্থায় একটি ট্রাক্টরে করে তাঁকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে উত্তমের মৃত্যু হয়।
তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, বিজেপির ৩০-৩৫ জনের একটি দল এই তৃণমূলকর্মীকে কুপিয়েছে। উত্তমকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই উত্তমকে ছুরি দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ।
বৃহস্পতিবার সকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে রক্তের দাগ দেখা গিয়েছে। একটি ছুরিও উদ্ধার করেছেন তৃণমূলকর্মীরা। তাঁদের দাবী, সেই ছুরি দিয়েই উত্তমকে কোপানো হয়েছিল। যেখানে কোপানো হয়েছে, সেখান থেকে উত্তমের বাড়ি একদম কাছে। বৃহস্পতিবার সকালে উত্তমের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কাঁদতে কাঁদতে উত্তমের স্ত্রী বলেন, ‘বিজেপির কয়েকজন খুন করেছে। তৃণমূলকর্মীরা বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। লাঠি নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।’ এরপরেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
No comments:
Post a Comment