নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি: কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলা ও অসমের চা শ্রমিকদের জন্য ১০০০ কোটির আর্থিক প্যাকেজের তীব্র সমালোচনা CITU এবং CISTA-এর। কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলা অসমের চা শ্রমিক দের জন্য ১০০০ কোটি বরাদ্দ। এর সুবিধা পাবে কেবলমাত্র বড় চা বাগানের শ্রমিকেরা। আর এতেই বেজায় ক্ষুব্ধ ক্ষুদ্র চা বাগান মালিকদের জাতীয় সংগঠন কনফেডারেশন অব স্মল টি গ্রোয়ার্স এসোসিয়েশন ( CISTA) । পাশাপাশি একে নির্বাচনী চমক বলে আখ্যা দিল সিটু।
সোমবার কেন্দ্রীয় বাজেটে পেশ করেন নির্মলা সীতারামন। এই বাজেটে বাংলা ও অসমের চা শ্রমিকদের জন্য ১০০০ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষনা করেন। ঘোষনায় খুশি শেড চা বাগান কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এর বিরোধিতা করে ইতিমধ্যে তোপ দাগতে শুরু করেছে ক্ষুদ্র চা বাগান মালিকদের জাতীয় সংগঠন CISTA এবং বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন CITU। অপরদিকে নির্মলা সিতারামনের ঘোষনায় হতাশ ক্ষুদ্র চা বাগানের মালিকেরা।
এদিন বাজেট দেখবার পর ক্ষুদ্র চা বাগান শ্রমিকদের সর্বভারতীয় সংগঠন কনফেডারেশন অব স্মল টি গ্রোয়ার্স এসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সম্পাদক বিজয় গোপাল চক্রবর্তী বলেন, 'দেশের মোট চা উৎপাদনের ৫০% আমরা উৎপাদন করে থাকি। এদিনের বাজেট দেখে আমরা হতাশ হলাম কারন এই মুহুর্তে চা শিল্পে মূলধনের অভাব। গত বছর কোভিডের জন্য চায়ের উৎপাদন কম ছিল। তাই কাঁচা চা পাতার দাম খানিকটা বেশি পাওয়া গেছে। কিন্তু পরের দিকে দাম কমে গেছে। আমরা চেয়েছিলাম নাবার্ডের মাধ্যমে কেন্দ্রের বিভিন্ন কৃষি প্রকল্পের আওতায় আমাদের সুযোগ সুবিধা দেওয়া হোক। আমরা সেই দাবী লিখিত আকারে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পেশ করেছিলাম। কিন্তু তার কোনও সুরাহা হল না। এই বাজেট আমাদের মতো ক্ষুদ্র চা বাগানের মালিকদের কোনো কাজে লাগবে না। '
ঘটনায় সিটুর জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক জিয়াউর আলম আর্থিক প্যাকেজ নিয়ে বলেন, 'যেহেতু আসাম ও বাংলায় নির্বাচন আসন্ন তাই এই আর্থিক প্যাকেজ। এই আর্থিক প্যাকেজে চা শিল্পে কোনও লাভ হবে না।'

No comments:
Post a Comment