নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলাদেশ: বাংলাদেশে করোনা মহামারীকালে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। তাই কাউকে নিরাশ না করে পূর্বের পরীক্ষার ফলাফল মূল্যায়ন করে আগের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের মূল্যায়নে সবাইকে পাস করানো হয়েছে; জিপিএ-৫ পেয়েছে দেড় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী। ২০২০ সালে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ২৭৭ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। প্রতি বছরের মতো ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে পরীক্ষা বাতিল করা হয়।
এর আগে, ১৯৭১ সালে পরীক্ষা ছাড়া সব শিক্ষার্থীকে পাস করানো হয়েছিল। এবার করোনাকালে সেই একই পথে হাঁটল বাংলাদেশ সরকার। পরীক্ষা না নিয়ে ফল প্রকাশে আইন সংশোধনের পর শনিবার একযোগে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়, যাতে পৌনে ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটে। পাশের হার, জিপিএ-ফাইভ, সব কিছুতেই এবার অনন্য রেকর্ড গড়লো, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা। ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জনের সবাই পাশ করেছেন। যাতে জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন, ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন।
ফল জানতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হাজির না হওয়ার নির্দেশনা না থাকলে এবার হয়তো এই উচ্ছ্বাস আরো বৈচিত্রময় হতো। কারণ, অংশ নেয়া ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন শিক্ষার্থীর সবাই এবার পাস করেছেন। এবারের এইচএসসি ও সমমানের ফল ভেঙ্গেছে অতীতের সব পাবলিক পরীক্ষার রেকর্ড। শতভাগ পাসের সাথে জিপিএ ফাইভ পেছেন রেকর্ড ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন শিক্ষার্থী।
তবে, এ মূল্যায়নের পথে বাধাও ছিলো অনেক। বদলাতে হয়েছে তিনটি আইন। মূল্যায়নে নেয়া হয়েছে জেএসসির ২৫ ও এসএসসির ৭৫ ভাগ নম্বর। তারপরও, কাঙ্খিত ফল না পেলে পূর্ণমূল্যায়নের সুযোগও রয়েছে।

No comments:
Post a Comment