প্রেসকার্ড ডেস্ক: বলা হয় প্রতিভা কোন পরিচয়ের অধিকারী নয়। পরিষেবাটি দিয়ে কাজটি দেখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজটি শেষ হয়ে যায়। দেশে যখন লকডাউন হয়েছিল, তখন হাজার হাজার হাত লোককে সাহায্য করার জন্য উঠে দাঁড়িয়েছিল। জেলার এমনই একজন ব্যক্তি, যিনি করোনার সময়কালে লোকদের খাওয়ানোর কাজ করেছিলেন এবং এখন সরকারী জেলা হাসপাতালে বাইরে থেকে আসা রোগীদের পেট ভরে কাজ করছেন মাত্র ৫ টাকায় খাইয়ে।
রোহিত
পেশায় একজন শিল্পী, রোহিত বিনায়ক পেশায় একজন শিল্পী। কেবল তার মেধার ভিত্তিতেই নয়, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বেশ কয়েকটি পুরষ্কার জিতে তিনি বুন্দেলখণ্ডে স্বীকৃতি এনেছেন এবং জেলার নামও আলোকিত করেছেন। বর্তমানে সরকারী হাসপাতালে রোগীদের সাথে কাজ করা, তিমারাদারদের ১ টাকায় খাবার সরবরাহ করে তাদের পেট ভরে যাচ্ছে। মুদ্রাস্ফীতির এই যুগে রোহিত পুরী শাকসব্জি দিয়ে মিষ্টির জন্য ৫ টাকা দেন।
অমিতাভ বচ্চন
তাঁর শিল্পের মাধ্যমে রোহিতের প্রশংসা করেছেন এবং থাইল্যান্ড থেকে শিল্প মন্ত্রকের স্তরে সম্মান পেয়েছেন। সম্প্রতি, অমিতাভ বচ্চনও সনি এন্টারটেইনমেন্ট চ্যানেলের শো "কৌনে বানগা কারোরপাতি" তে তাঁর কাজের প্রশংসা করেছেন। যার কারণে জাতীয় পর্যায়ে তার উচ্চতা বেড়েছে।
জনগণের সম্মানে ১ টাকা ফি প্রদান করেন
সমাজকর্মী রোহিত বিনায়ক বলেছেন যে, লকডাউন করার সময় বাইরে থেকে চিকিৎসার জন্য আসা লোকজনের খাবারের কোনও ব্যবস্থা ছিল না। মানুষ খাবারের সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তারপরে বুঝতে পারলেন কেন লোককে এভাবে সহায়তা করা হবে না এবং তারপরে ৫ টাকায় খাবার সরবরাহ করা শুরু করেন। এখন ৭ মাস এই প্রচারটি শেষ করছে। ১ টাকা ফি জনগণের সম্মানে তাই যাতে কেউ যেন নির্দ্বিধায় না লাগে। মানুষের কাছে ৫ টাকায় খাবারের প্রাপ্যতার কারণে তাদের মুখে হাসি দেখে স্বস্তি হয়।

No comments:
Post a Comment