সিএএ অর্থাৎ নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মোদী শাহ সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে নিঃশ্বর্ত নাগরিকত্ব দেওয়ার দাবি তুললেন আব্বাস সিদ্দিকী।
পাশাপাশি এনআরসি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধে তৃণমূলকে নিশানা করে আব্বাসের প্রশ্ন, রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এনপিআর নয়ত? । আব্বাস সিদ্দীকির দাবি ,এটাই এনআরসি প্রক্রিয়ার একটা অংশ ।
বৃহস্পতিবার বারাসতের কদম্বগাছিতে এক ধর্মীয় জলসায় এসে নিজের নতুন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা নিয়ে উপস্থিত মানুষের সমর্থন আদায় করে নিলেন তিনি।
আব্বাস সিদ্দিকীর দাবী ভোট কাটাকটি নয় বরং দলীত, গরীব,মতুয়া ও সংখ্যালঘু ভোট এক করে গরীবের সরকার গড়া তাঁর লক্ষ্য।মতুয়া প্রসঙ্গে সি এ এ ক্ষেত্রে তিনি অবশ্য মমতা ঠাকুরের নিশর্ত নাগরিকত্ব প্রদানের দাবীকেই সমর্থন জানান তিনি এদিন।
আব্বাসের অভিযোগ, মোদীর থেকে বড় বিজেপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । আব্বাস বলেন, মোদী কি শুধু মুসলমানের দূষমন ? বিজেপির নেতা নেত্রীরা দেশের জন্য ক্ষতিকারক।মোদী শুধু মুসলিমের দূসমন নয় এরা দেশের দূষমন ।ইভিএম সরিয়ে ব্যালটে ভোট হোক এই দাবী তোলেন ধর্মীয় জলসায় তোলেন আব্বাস সিদ্দিকী ।এরাজ্যে জলুম হচ্ছে শুধুমাত্র গরীবদের উপর। সবাই এক হয়ে যাও।এদিন তৃনমুল কে আক্রমণ করতে গিয়ে বিমল গুরুং কে নিয়ে তৃনমুলের অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
জলসায় তিনি বলেন সবার জন্য রাজ্য স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দিচ্ছে এর মধ্যে দিয়ে কি এন পি আর হয়ে যাচ্ছে না তো। ধর্মীয় জলসার মঞ্চ থেকে তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূল কংগ্রেসকে।তাঁর দাবী বিহার ও অসমে মিমের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়ে তৃণমূল বিজেপিকে জিতিয়ে দিয়েছে।আর মমতার জন্ম দিনেই তৃনমূলের তিনটে উইকেট পড়েছে। সব বিজেপিতে যাচ্ছে। তাই বিজেপিকে আটকাতে সব বিজেপি বিরোধীদের এক হওয়ার কথা বলেন তিনি।
আব্বাসের দাবী নতুন রাজনৈতিক দল গড়ে এবার ভোটে লড়বেন তারা ।ইতিমধ্যে বামেদের সঙ্গে তাঁদের আলোচনার কথা চলছে। তিনি বলেন চৌকিদার হিসাবে তৃনমুল এরাজ্যে ক্ষমতায় থাকলেও বিজেপিকে তারা রাজ্যে জায়গা করে দিয়েছে। তাই তিনি রাজনীতির মাঠে নামছেন বিজেপিকে আটকাতে।সেই সঙ্গে এই দিন তাঁর সমর্থকদের পরামর্শ দেন, মাথা ঠান্ডা রাখতে।সময় এলে যেমন কুকুর তেমন মুগুরের ব্যবহারের নিদান এই দিন দেন তিনি।

No comments:
Post a Comment