ধর্না, বিক্ষোভ, অবস্থান এরপরে অনশনে পরিনত হবে; হুঁশিয়ারি স্নাতক শিক্ষক সংগঠনের রাজ্য সম্পাদকের - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 28 December 2020

ধর্না, বিক্ষোভ, অবস্থান এরপরে অনশনে পরিনত হবে; হুঁশিয়ারি স্নাতক শিক্ষক সংগঠনের রাজ্য সম্পাদকের




নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা“ধর্না, বিক্ষোভ, অবস্থান এরপরে অনশনে পরিনত হবে এবং তার দায় সম্পূর্নভাবে রাজ্য সরকারের।” হুঁশিয়ারি দিলেন আন্দোলনকারী স্নাতক শিক্ষক সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক সৌরেন ভট্টাচার্য।  


আন্দোলনকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজ্য জুড়ে ১ লক্ষ ১০ হাজার গ্র্যাজুয়েট শিক্ষক আছেন। যাঁদের রাজ্যে পাস বেতন হারের তকমা দেওয়া হয়। বর্তমানে স্নাতক শিক্ষকদের সঙ্গে স্নাতকোত্তর শিক্ষকদের বেতনের বৈষম্য প্রায় ১০,০০০ টাকা। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্তরে এই ফারাক মাত্র ২,৭০০ টাকা। শিক্ষকদের দাবী, এই বেতন বৈষম্য দূর করে বেতনের ফারাক কমানো হোক।


আদালতের রায়ের পরেও বেতন বঞ্চনার সুরাহা হচ্ছে না। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বেতন বৈষম্য দূর করতে এবার ১৮ ডিসেম্বর থেকে বিকাশ ভবনের সামনে ধর্নায় বসেছেন রাজ্যের স্নাতক শিক্ষকেরা। আদালতের অনুমতিক্রমে এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছে।


এই দাবী প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘আমরা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবী-দাওয়া নিয়ে খুবই সহানুভূতিশীল। সবসময় আমরা তাঁদের ন্যায্য দাবী মেনে থাকি। ২০২১- এর ভোটের পর শিক্ষকদের দাবী দাওয়া মানা হবে।’


শিক্ষামন্ত্রীর এই আশ্বাস মানতে নারাজ শিক্ষক মহল। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক সৌরেন ভট্টাচার্য বলেন, “শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার দেখা করে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবীপত্র পেশ করেছি। প্রতি বারই উনি আশ্বাস দিয়েছেন। ওনার আশ্বাসে বিশ্বাস রেখেছি। কিন্তু হাইকোর্টের রায় আমাদের পক্ষে থাকা সত্ত্বেও উনি যেভাবে বিষয়টিকে বিবেচনা করা হবে বলে বলেছেন এবং জের টেনেছেন ২০২১- এর বিধানসভা ভোটের পর তাতে আমরা মর্মাহত।"

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad