গোপাল নগরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মেজাজ হারালেন মুখ্যমন্ত্রী। এভাবে আমার পক্ষে মিটিং করতে সম্ভব নয়। পুলিশের যিনি এসপি আছেন তিনি আস্তে আস্তে মানুষকে ঢুকিয়ে দিন। আপনারা না বসা পর্যন্ত বলতে পারছিনা। আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার আছে। একটা ব্যারিকেড দেখিয়ে বলেন, মেয়েদের ঢুকতে দিন। ভাই প্রেস আমাকে ভীড় সামলাতে দিন। দুক্ষিত আমি পাঁচ মিনিট টাইম নিচ্ছি একটু সেটেল করে নেই।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মতুয়া ভাই বোনেরা আপনারা জেনে রাখুন, গত 30বছর ধরে বড় মা যতবার অসুস্থ হয়েছেন ততবার আমি চিকিতসা করিয়েছে। আগে মতুয়াদের কেউ চিনত না।
আমাকে প্লাকার্ড দেখিয়ে লাভ নেই। এটা একটা নতুন ফ্যাশন হয়ে গেছে। দুয়ারে সরকার সেখানে বলুন। এভাবে দেখালে কিছু করব না।
10কোটি টাকা দিয়েছি। আপনারা কমিটি করুন। এটা আপনাদের প্রথম দাবি ছিল। আমি দিয়েছি।
হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি রাজ্য সরকার ছুটি ঘোষনা করবে।
হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুরের বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ করেছি। কথা দিলে কথা রাখি।
আমি বিজেপি পার্টি নই। কথা দিলে কথা রাখি। ভোট এলে কথা দেই ভোটের পর পালিয়ে যাই।
পাঠ্য পুস্তকে আমি হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুরের জীবনী ও বানি সংযোজন করেছি। আরও কিছু দরকার হলে বলবেন। আপনারা যা যা বলেছেন সব করেদিয়েছি।
এসসি, এসটি, ওবিসি সার্টিফিকেট পাওয়া সরলী করণ করা হয়েছে। বাই বার্থ বাড়িতে একজন থাকলে বাড়ির সবাই পাবে।
অনেক মানুষ ওপার বাংলা থেকে বহু মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে এসছেন। আপনারা সবাই নাগরিক। ক্যাক্যা করে আপনাদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে। নতুন করে নতুন সার্টিফিকেট পাওয়ার দরকার নেই। যারা চার পাঁচ বছর আগে এসেছে তাদের দরকার। এটা দিত ডিএম। তাদের হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
94টা কলোনীকে স্বীকৃতি দিয়েছে রাজ্য সরকার। রেলের যায়গায় বসে আছে এমন 250 কলোনীকে নাগরিক করে দিয়েছি। আজ কেউ তাড়াতে এলে পারবেনা। সব আমরা স্বীকৃতি দিয়েছি। রাজ্য সরকার সব ক্যমতার অধিকারী। রাজ্যসরকার ছাড়া কেউ তাড়াতে পারবেনা।
বিজেপির কাজ হচ্ছে, বাংলা থেকে বাঙালীকে তাড়িয়ে দাও। বিজেপি বাংলাকে গুজরাট করতে চাইছে।
34 বছর দেখেননি। 34বছরে সিপিএমের অত্যাচার দেখেননি। আজকে সিপিএমের হার্মাদরা বিজেপির লোকাল হয়েছেন। আএএস বাইরে থেকে লোক আনছে। ওরা হিন্দু শেখাবে। আপনারা ওদের কান ধরে শেখাবেননা।
মিথ্যা কথায় ভুলবেন না।
কথা দিয়ে কথা রাখি। কথা না রাখতে পারলে তার থেকে মৃত্যু ভালো।
যারা অনেক টাকা করেছে তাদের বলছে হয় ঘরে নয় জেলে। যাদের টাকা নেই তাদের বলছে টাকা লাগবে? বই লাগবে?
পরিবার ভেঙে দিচ্ছে। সবাইকে ভেঙে দিচ্ছে।
তিনটে আইন করেছে গায়ের জোরে। কৃষকদের জিনিস কর্পোরেট নেবে। কালোবাজারি মজুত রাখবে। কৃষকদের কোনও গ্যারান্টি নেই। কালোবাজারি মুনাফাখোররা কৃষকদের সব কেড়ে নেবে।
আপনি আপনার আলু পেঁয়াজ ডাল তেল আপনি রাখতে পারবেননা। এগুলো এসেনশিয়াল আইনের মধ্যে এখন আর নেই। সব কেড়ে নিয়ে যাবে। আলু সেদ্ধ ভাত খেতে পারবেননা।
আগামীদিনও তৃণমূল সরকারে থাকবে। আপনারা বিনা পয়সায় চাল পাবেন। 45লক্ষ মেট্রিকটন ধান কিনি। ধান দিন চেক নিন।
শীত কাল চলেগেলে আলু হবে 50টাকা।পেঁয়াজ হবে 180টাকা।এটাই বিজেপি সরকার। আমরা কৃষকদের খাজনা মাইনা। কৃষাণ বন্ধু কার্ড থাকলে কৃষক মারা গেলে 2লক্ষ টাকা পাবে।
একজন দুজন দুষ্টুমি করেছে বলে বলছ হিসেব দাও। উনি টাকা দিয়ে যাননি। আমার টাকা আমার ঘরের টাকা আমাকে আগাম দিয়ে বলছে হিসেব দাও।
ভুলে গেছে তৃণমূল কংগ্রেস ভদ্র তো। তৃণমূল কংগ্রেসকে খামচাও। কখনও রাম চিমটি কখনও শ্যাম চিমটি কখনও গোবর্ধন চিমটি।
কমরেডদের খেতে দেওয়ার ক্ষমতা নেই কিল মারার গোসাই।
বনগাঁ পেট্রাপোল আমি করেছি।
14000উচ্চ বিদ্যালয়ের সাড়ে নয় লক্ষ ছেলে মেয়েদের ট্যাব দেওয়া হবে।
কেরালা বাম ফ্রন্ট সরকার বেতন দিতে পারছেনা। কেন্দ্রীয় সরকার একদিনের মাইনে কেটে নিচ্ছে।
কবর শশ্মান করে দেওয়া হচ্ছে। মনসা, মাঝি বনবিবি, মন্দির মসজিদ গুরুদ্বরা করে দিচ্ছি।
সব মন্দির করে দিয়েছি।
সবাই পার্মানেন্ট চাকরী চাইছে। প্রেস আমাকে দেখায় না। প্রেস আপনাদের দুজনের দাবি দেখায়। কাজে কাউকে লাগালেই বলে চাকরি দাও।
প্রত্যেকটা মিটিং এ দেখছি কয়েকজনকে।
বেশি বাড়াবাড়ি করবেননা। মাথায় রাখবেন। দু তিন জনের জন্য মিটিং নষ্ট করলেননা কেন? কত দেব। শুধু চাই চাই। কেন্দ্রীয় সরকারকে বলুননা জিএসটির সাড়ে আট হাজার টাকা দিচ্ছে না। 70লক্ষ মেয়ে। আড়াই কোটি মাইনরিটিদের সাহায্য করি। বিদ্যুৎ, বাসের ভাড়া বাড়বেনা। বিনা পয়সায় পড়াশোনা, মিড ডে মিল,আইসিডিএস।এই কাজ
আমাকে দুক্ষ দেবেন না। দুক্ষ দিলে আমি সরে যাব। অনেক সময় মনে করি সরে যাই। এরা বোধ হয় আমাকে চায়না।
চাকরী পেতে গেলে পরীক্ষা দিতে হয়। আপনারা পরীক্ষা না দিয়ে কাজ পেয়েছেন।
মেদিনাপুরে দু বস্তা চিঠি পেয়েছি।
পাড়ায় পাড়ায় বহিরাগতরা ঢুকলে তাদের থানায় দেবেন। থানা অভিযোগ না নিলে অফিসে জানাবেন।

No comments:
Post a Comment