নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর দিনাজপুর: উত্তরবঙ্গ তথা উত্তর দিনাজপুর জেলার প্রসিদ্ধ কালিয়াগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মা বয়রা কালীমন্দির সংস্কারের জন্য ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান তুলে দিল পুর প্রশাসক কার্তিক পালের নেতৃত্বাধীন পুরসভা। বুধবার পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য বসন্ত রায়, পুর ফিনান্স অফিসার ছট্টু আগরওয়াল সহ পুরকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে মা বয়রা কালীমন্দিরে হাজির হয়ে মন্দির কমিটির হাতে আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন কার্তিক পাল।
কালিয়াগঞ্জের পুর প্রশাসক কার্তিক পালের নেতৃত্বাধীন পুরসভার এই আর্থিক অনুদান গ্রহণ করতে উপস্থিত ছিলেন মন্দির কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বিদ্যুৎবিকাশ ভদ্র ও সৌমেশ লাহিড়ী। মন্দির কমিটির প্রধান পুরোহিত সমর ভট্টাচার্য এবং জয়ন্ত বিশ্বাস সহ পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মা বয়রা কালীমন্দির সংস্কার কমিটির অন্যতম কালিয়াগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব সুনীল সাহা এবং স্বনামধন্য ব্যবসায়ী স্বপন সরকার প্রমুখ।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে কালিয়াগঞ্জ শহরকে নবরূপ দানের অসাধ্য সাধন করে চলেছেন বিদায়ী পুরপ্রধান তথা পুর প্রশাসক কার্তিক পাল। শহর সৌন্দর্যায়নের এই পরিকল্পনায় কালিয়াগঞ্জের দুই ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মা বয়রা কালীমন্দির এবং মহেন্দ্রগঞ্জ নাটমন্দির অন্তর্ভুক্ত করেছেন পুর প্রশাসক। ইতিমধ্যেই নাটমন্দির সৌন্দর্যায়নের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এত বড় অংকের টাকার বন্দোবস্ত না হওয়াতে এখনো মা বয়রা কালীর জন্য নতুন মন্দির গড়ার কাজ শুরু করা যায়নি। মা বয়রা কালীর বর্তমান মন্দির বহু পুরোনো। বয়সের ভাড়ে জীর্ন মন্দির থেকে পলেস্তারা খসে পড়া শুরু হয়েছে।
এই অবস্থার মধ্যে মা বয়রা কালীর নতুন মন্দির গড়তে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান তুলে দিল কার্তিক পাল ও বসন্ত রায়ের নেতৃত্বাধীন কালিয়াগঞ্জ পুরসভা। মায়ের একজন ভক্ত হিসেবে কালিয়াগঞ্জবাসীর কাছে আমার ছোট্ট আবেদন আপনারা সাধ্যমত আর্থিক সাহায্য দিন মা বয়রা কালীর নতুন মন্দির গড়তে।
অপরদিকে মা বয়রা কালীমন্দির কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বিদ্যুৎবিকাশ ভদ্র এদিন কালিয়াগঞ্জের পুর প্রশাসক কার্তিক পালের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, সুযোগ্য পুর প্রশাসক পেয়েছি আমরা। যিনি কালিয়াগঞ্জ শহরের প্রতিটি নাগরিকের কথা ভাবেন। তিনি আরো বলেন, সমস্ত কালিয়াগঞ্জ বাসীকে পাশে নিয়ে আমরা কার্তিক পালের নেতৃত্বে মা বয়রা কালীর জন্য নতুন মন্দির গড়ার কাজ দ্রুত শুরু করতে চাই।

No comments:
Post a Comment