প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মহিলা জেলা হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় প্রসূতির পেটে তোয়ালে ছাড়ার পর স্বাস্থ্যের অবনতি হলে অন্ত্র কেঁটে বের করার চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। স্বামীর দ্বারা সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে যাওয়ার পর স্বাস্থ্য বিভাগে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। মহিলার স্বামী মহিলা জেলা হাসপাতালের সিএমএস ডাঃ সুষমা কর্ণওয়ালের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন। এর পরে সিএমএস ডাঃ সুষমা কর্ণওয়াল উল্টো ভুক্তভোগীর ওপর মানহানির মামলা করার সতর্কতা দিয়েছেন।
নগরীর মহল্লা কাজিয়াড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ ফয়জান আক্তার আনসারী অভিযোগ করেছেন যে, ২০২০ সালের ৫ জুন তার বেগম শাগুফতা আনজুমের অপারেশন মহিলা জেলা হাসপাতালের সিএমএস ডাঃ সুষমা কর্ণওয়াল করেছিলেন। একটি কন্যার জন্ম হয়েছিল। ফয়জান আরও বলেছে যে অপারেশনের পরে তার স্ত্রী শাগুফতা অপারেশনের জায়গায় প্রচন্ড ব্যথা শুরু হয়এবং বমি করতে শুরু করে।
ব্যাথা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও তাকে ২৮ জুন, জেলা মহিলা হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিছু দিন পরে, অপারেশনের জায়গা স্পর্শ করার পরে, তার ভিতরে শক্ত কিছু অনুভূতি হয়েছিল। এরপরে তাকে লখনউয়ের একটি বেসরকারী হাসপাতালে দেখানো হয়েছিল এবং তার বেশ কয়েকটি পরীক্ষাও করা হয়েছিল, যাতে পেটের ভিতরে কিছু থাকার কথা বলা হয়েছিল। এর পরে, ২০২০ সালের ২৫ শে সেপ্টেম্বর আবার লখিমপুরের বেসরকারী হাসপাতালে অপারেশন করা হয়েছিল, তখন সেখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে মহিলা জেলা হাসপাতালে এর আগে অপারেশন করা চিকিৎসকের গাফিলতির কারণে একটি তোয়ালে পেটে রয়ে গিয়েছিল।

No comments:
Post a Comment