ঝাঁঝ কমছে শুভেন্দুর! ক্রমশই দূরে সরছেন তাঁর অনুগামীরা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 23 November 2020

ঝাঁঝ কমছে শুভেন্দুর! ক্রমশই দূরে সরছেন তাঁর অনুগামীরা


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতাএই মুহূর্তে বিজেপি-র আগ্রাসনের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথাব্যথার একটা বড় কারণ শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের অভিযোগ, তাঁকে বাগে আনতে না পেরে তাঁর ঘনিষ্ট পরিবৃত্তে নানাভাবে ফাটল ধরিয়ে জমির দখল রাখার চেষ্টা করছে রাজ্যের শাসক দল। 

মালদা জেলার সভাধিপতি গৌড়চন্দ্র মণ্ডল ও মুর্শিদাবাদ জেলার সভাধিপতি মোশারফ হোসেনকে ঘিরে গত কয়েক সপ্তাহ জুড়েই চলছিল তীব্র জল্পনা। অনুমান করা হচ্ছিল যে শুভেন্দু অধিকারী দল ছাড়লে এই দুইজনও তৃণমূল ছেড়ে শুভেন্দু বাবুর পথে হাঁটা দেবেন। কিন্তু রবিবার মোশারফ নিজে সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দিলেন, তিনি তৃণমূলেই থাকছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তাঁর নেত্রী। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের হয়েই কাজ করবেন। দলের সব কর্মসূচীতেও সামিল হবেন। দল তাঁকে যা দায়িত্ব দেবেন তিনি তা পালন করবেন। গৌর বাবুর তরফেও দলের কাছে তেমনই ইঙ্গিত এসে পৌঁছেছে। 

এর আগে, রবিবার বিকালেই রাজ্যের শাসক দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মাথার ওপর আছে মমতা। তাই যতদিন তিনি আছেন, ততদিন কোনও ভয় নেই। কে গেল, আর কে রইল, তাতে কারও কিছু দায় এসে যায় না। কারন গোটা বাংলাই মমতামুখী আর তৃণমূল শুরু থেকে শেষ সবটাই মমতাকেন্দ্রীক। বাকি সব দোদুল্যমান। যার যেখানে খুশি যেতে পারে। কিন্তু দলের নেত্রী একজনই। নাম না করেও সেই বার্তার অভিমুখ ছিল যে শুভেন্দু অধিকারী তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এর পরেই মালদা ও মুর্শিদাবাদে ধাক্কা খেতে হল শুভেন্দু অধিকারীকে। দুই জেলার দুই জেলাপরিষদের সভাধিপতিদের ঘিরে যে জল্পনা ছড়িয়েছিল সেই দুইজনই জানিয়ে দিলেন তাঁরা দলেই থাকছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তাঁদের নেত্রী।

শুভেন্দু বাবু বিদ্রোহের পথে হাঁটা দিতেই যেমন তাঁর ডানা ছাঁটার কাজ শুরু হয়েছিল, ঠিক তেমন শুভেন্দু অনুগামীদেরও দলের নানা পদ থেকে শুরু করে পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে সরানো শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রামনগরের সভা থেকে শুভেন্দুর ঝাঁঝ কমে যেতেই তাঁর অনুগামীরাও এবার একে একে তাঁদের পুরাতন অবস্থানে ফিরে আসছেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad