নিজস্ব সংবাদদাতা, উওর ২৪ পরগনা: বারাসাত চাঁপাডালি মোড়ে অন্যায় ভাবে পুলিশি জোর-জুলুম ও অবৈধ ভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ট্রাফিক পুলিশ ও রাস্তায় দায়িত্বরত সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে। এনিয়ে বারাসাত চাঁপাডালি মোড় শুক্রবার সন্ধ্যেয় জনতার বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠল।
অভিযোগ, রঞ্জিত দাস নামে জনৈক বাইক আরোহী ব্যবসায়ীকে আটকে পুলিশ এক হাজার টাকা চাইলে তিনি প্রতিবাদ করতেই তাকে মারধর করা হয় প্রকাশ্যে। এর পরেই সাধারণ মানুষ ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রতিবাদে সামিল হন। সন্ধ্যের চাঁপাডালি মোড় উত্তাল হয়ে ওঠে "পুলিশি জোরজুলুমের" বিরুদ্ধে। জ্যামজট দেখা দেয়। পুলিশ আধ ঘন্টার মধ্যে বিক্ষোভকারীদের সরিয়েও দেয়।
যার নিগ্রহ ঘিরে জনতা দীর্ঘদিনের জমিয়ে রাখা বিক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখায়, সেই রঞ্জিত দাস জানান অশোকনগর থেকে কলকাতা ব্যবসার স্বার্থে যাওয়া আসা করতে পুলিশ জোর করে টাকা নেয়। রশিদও দেয় না। শুক্রবার সন্ধ্যেয়ও একই ভাবে তাকে আটকানো হয়। হেলমেট ও কাগজপত্র থাকা সত্বেও এক হাজার টাকা পুলিশ চায়। তিনি কারণ জানতে চাইলে ট্রাফিকে দায়িত্বরত জনৈক পুলিশ আধিকারিক তাকে গলা টিপে নিগ্রহ করে বলে তিনি জানান। অতঃপর বিক্ষোভরত জনতার অনেকেই জানান, তাঁদের অভিজ্ঞতা ও একইরকম। এদিন ধৈর্যর বাঁধ ভাঙায় তাঁরা সমবেত বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলন করার কথা বললেও বাস্তবে ভ্রাম্যমান জনতার বিক্ষোভের পরবর্তী রূপ নিয়ে সন্দেহ থাকলেও শুক্রবার সন্ধ্যের বিক্ষোভ তাৎপর্যপূর্ণভাবেই ইঙ্গিতবাহী। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে এসে ট্রাফিক ওসি তার প্রতিক্রিয়ায় বিক্ষোভের কারণ খতিয়ে দেখার উল্লেখ করেছেন।

No comments:
Post a Comment