প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক : ভারতে, জনগণের সুবিধার্থে ই-চালান কার্যকর করা হয়েছিল। তবে এর সদ্ব্যবহার করে মানুষ প্রতিনিয়ত চালান পাচ্ছে। তবে, চালানটি পূরণের প্রক্রিয়াতে খুব কম লোক জড়িত। এ কারণে পুলিশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, যারা তাদের গাড়ির ই-চালান পূরণ করেনি তাদের গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হবে ১ ডিসেম্বর থেকে। অর্থাৎ যারা চালান জমা দেননি তাদের গাড়ি এখন বাজেয়াপ্ত করা হবে।
৫০০ কোটি টাকার ই-চালান মুলতুবি: তথ্যের জন্য আপনাদের জানাই যে, একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় ২৫,০০০ ই-চালান জারি করা হয়। এ কারণে মহারাষ্ট্রে ৭০০ কোটি টাকারও বেশি ট্র্যাফিক ই-চালান জরিমানার বিচারাধীন। এই নতুন নিয়মের অধীনে প্রথম চ্যালেঞ্জারদের ১০ দিন সময় দেওয়া হবে যার পরে যানবাহনটি জব্দ করা হবে।
৩০ নভেম্বর অবধি সময় দেওয়া হবে: এই বিষয় নিয়ে আলাপকালে পাতিল বলেছিলেন, 'অনেক গাড়িচালক এ বছর ই-চালান দেয়নি। আমরা এই ধরনের গাড়িচালকদের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অর্থ প্রদানের জন্য আবেদন করছি অন্যথায় আমরা ১ ডিসেম্বর থেকে তাদের গাড়ি বাজেয়াপ্ত করার জন্য একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করব। আমাদের পাঁচ হাজারেরও বেশি জরিমানা লঙ্ঘনকারীদের একটি পৃথক তালিকা রয়েছে। জরিমানা আদায়ের জন্য আমরা তাদের ঠিকানায় যাব অন্যথায় তাদের গাড়িগুলি এমওভি আইন ১৯৮৮, ধারা ২০৭-এর অধীনে বাজেয়াপ্ত করা হবে। "
আপনাদের বলি যে থান ট্র্যাফিক পুলিশ ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ থেকে ই-চালান জারি করছে। করোনার কারণে সৃষ্ট লকডাউনের সময় পুলিশ কয়েক লক্ষ চালান করেছে। তবে লোকেরা এগুলি পূরণ করার জন্য কোনও তৎপরতা দেখায় না। গত বছর ২১,৩০,২২২ ই-চালান প্রায় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে করা হয়েছিল। যেখানে এই বছরের জানুয়ারী থেকে অক্টোবরের শেষের দিকে ৫,৫২,৪৫৩ টি ই-চালান জারি করা হয়েছে। যার মোট পরিমাণ ২২ কোটি টাকা।

No comments:
Post a Comment