গত ১৫ মাসে আরও ধনী হয়ে উঠেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 15 October 2020

গত ১৫ মাসে আরও ধনী হয়ে উঠেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী


প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী মোদীর অস্থাবর সম্পত্তি গত ১৫ মাসে ৩৬.৫৩ লক্ষ টাকা বেড়েছে। সাম্প্রতিক প্রধানমন্ত্রী মোদীর সম্পত্তি ও দায়বদ্ধতার ঘোষণার মাধ্যমে এটি প্রকাশ পেয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) জমা দেওয়া রেকর্ড অনুযায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সম্পত্তিতে হ্রাস রেকর্ড করা হয়েছে। ১২ ই অক্টোবর প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রী মোদীর সম্পত্তির বিবরণে ৩০ জুন পর্যন্ত তাঁর আর্থিক অবস্থার তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। গত ১৫ মাসে তার সম্পত্তি বৃদ্ধির মূল কারণ হল তার বেতনের সঞ্চয়ী বিনিয়োগ এবং ফিক্সড ডিপোজিট থেকে প্রাপ্ত সুদ।


প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৩০ জুন অবধি প্রধানমন্ত্রী মোদীর মোট সম্পত্তি ছিল ২.৮৫ কোটি টাকা। গত বছর এই সম্পদ ছিল ২.৪৯ কোটি টাকা। এভাবে গত বছরের তুলনায় তার সম্পত্তি বেড়েছে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা। এই প্রতিবেদন অনুসারে, জুন - ২০২০ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মোদীর নগদ ছিল মাত্র ৩১,৪৫০ টাকা। এছাড়াও, গান্ধিনগরের স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (এসবিআই) শাখায় তার সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্টে ৩,৩৮,১৭৩ টাকা জমা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী এসবিআইয়ের এই শাখায় একটি ফিক্সড ডিপোজিট রেখেছেন। গত বছর এর মূল্য ছিল ১,২৭,৮১,৫৭৪ টাকা যা ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত বেড়ে ১,৬০,২৮,০৯ এ দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়াও তার ৮,৪৩,১২৪ টাকার জাতীয় সঞ্চয় শংসাপত্র (এনএসসি) এবং একটি ১,৫০,৯৫৭ টাকার জীবন বীমা পলিসি রয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী মোদী ছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এবং অন্যান্য মন্ত্রীরাও তাদের সম্পত্তি সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। অমিত শাহের দেওয়া তথ্য অনুসারে, গত বছরের তুলনায় এ বছর তাঁর সম্পত্তি হ্রাস পেয়েছে। ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত তাঁর মোট সম্পদ ২৮.৬৩ কোটি টাকা, গত বছর লোকসভা নির্বাচনের সময় দেওয়া তথ্যে তিনি ৩২.৩ কোটি টাকার সম্পত্তির উল্লেখ করেছিলেন। অমিত শাহের হাতে নগদ ১৫,৮১৪ টাকা রয়েছে, তবে ১.০৪ কোটি টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স এবং বীমা। এছাড়াও, অমিত শাহের ১৩.৪৭ লক্ষ টাকার পেনশন নীতি রয়েছে, ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম ২.৭৯ লক্ষ এবং ৪৪.৪৭ লক্ষ টাকার গহনা রয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad