নিজস্ব সংবাদদাতা, উওর ২৪ পরগনা: দিন ১৫ আগে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন যুবক। পরিবারের বাকি সদস্যদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় তাদের পাশের নিজেদের অন্য একটি বাড়ীতে রাখা হয়েছিল । অভিযোগ, করোনা আক্রান্তের পরিবারের সদস্য হওয়ায় এলাকার বেশ কিছু বাসিন্দা তাদের কটুক্তি করে। এ নিয়েই ফোনে করোনা আক্রান্ত যুবক হাবড়ার বাণীপুর রবিশংকর সরণির বাসিন্দা হাবড়া দক্ষিণ পৌরমন্ডলের বিজেপির যুব সম্পাদক মনীষ কুমার সেন ওই যুবকদের ফোন করে তার পরিবারের প্রতি খারাপ আচরণের প্রতিবাদ করেন। ঘটনার দিন ফোনে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় বলেও জানা গিয়েছে । তবে করোনা আক্রান্ত ওই বিজেপি নেতাকে ডাক্তারি পরামর্শে তার অন্য কোন উপসর্গ না থাকায় ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় । বুধবার তার ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হওয়ার পর চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে চিকিৎসক জানায় তার উপসর্গ না থাকায় নতুন করে আর পরীক্ষা করার দরকার নেই এমনটাই জানায় আক্রান্ত যুবক।
অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বেলা দশটা নাগাদ হেনস্তা কারী সেই যুবকরা পুনরায় মনীশের বাড়ীতে এসে তাকে মারধোর করে, তার স্ত্রীকেও হেনস্থা করা হয় । বাড়ীতে ইট-পাটকেল ছোঁড়া হয় । ১২-১৪ জনের একটি দল এসে হামলা করে তারা প্রত্যেকেই তৃণমূল কর্মী এমনটা জানায় মনীশ । স্থানীয় কয়েকজনের রক্তাক্ত অবস্থায় মনীশকে নিয়ে আসা হয় হাবড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে । সেখানে তার মাথায় দুটি সেলাই পড়েছে । এছাড়া গলায় ও বুকে আঘাত করা হয় এবং মাটিতে ফেলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারা হয় । তাই হাবড়া হাসপাতাল থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে বারাসত জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনায় আক্রান্তে স্ত্রী সোমা সেন হাবড়া থানায় এলাকার কয়েকজনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ।
হামলার ঘটনায় অভিযোগ ওঠা সুমন দাস নামে এক যুবক জানায়, 'করোনা আক্রান্ত মনীশকে আমরা আরও কয়েকদিন বাড়ীতে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলাম। তখন মনীশ দুর্ব্যবহার করে ও আমাদের উপর হামলা করে। এই মর্মে তারা হাবড়া থানায় পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছে । উভয়পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে হাবড়া থানার পুলিশ ।

No comments:
Post a Comment