উত্তরপ্রদেশের সিএম যোগী আদিত্যনাথ হাথরাসের মামলাটি কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (সিবিআই) কে হস্থান্তরিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। নির্যাতিতের মৃত দেহ মধ্যরাতে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য ইতিমধ্যে জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) বিক্রান্ত ভাইসহ পাঁচ পুলিশ কর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দিয়েছেন আদিত্যনাথ।সিটের ৩ সদস্যের একটি টিম বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে তারা প্রতিবেদন জমা দেবে।
ধর্ষণ মামলাটি কী?
১৪ সেপ্টেম্বর হাথরাসের এক মাঠে ধর্ষণের শিকার ওই মহিলাকে মারাত্মক অবস্থায় রেখে গিয়েছিল ধর্ষকরা। তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে গত সোমবার এআইমসে রেফার করা হয় তবে মেরুদণ্ডের ইনজুরি, পক্ষাঘাত এবং জিহ্বায় কাটা নিয়ে সোমবার তাকে দিল্লির সাফদারজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার ভোর তিনটার দিকে তার মৃত্যু হয়, তবে তার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণের কোনও উল্লেখ নেই। পুলিশ দাবি করেছে যে গণধর্ষণের শিকার মেয়েকে 'ধর্ষণ করা হয়নি' পোস্টমর্টেম রিপোর্টে 'ঘাড়ে আঘাত ও ট্রমা' মৃত্যুর কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার গোপনাঙ্গে শুক্রাণুর কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
বুধবার সকাল আড়াইটার দিকে ইউপি পুলিশ পরিবারের পক্ষ থেকে সম্মতি ছাড়াই ভিক্টিমের মৃত দেহ দাহ করা হলে মামলাটি কুৎসিত রূপ নেয়, যা পুলিশ অস্বীকার করেছে। দেশ জুড়ে প্রতিবাদে গর্জে ওঠে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ।অন্যদিকে পুলিশ সিটের তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে পুলিশ ৪৮ ঘন্টার নিষেধাজ্ঞার পরে মিডিয়া লোক বা রাজনীতিবিদদের জেলায় প্রবেশ করতে দিয়েছে। দুবারের চেষ্টার পরে, প্রিয়াঙ্কা এবং রাহুলকে ইউপি পুলিশ নির্যাতিতার বাড়িতে দেখা করার অনুমতি দেয়। আদিত্যনাথ নির্যাতিতার পরিবারের এক সদস্যকে সরকারি চাকরি এবং ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন।

No comments:
Post a Comment