নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শ্রমজীবী ক্যান্টিনের পর এবার স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা আনতে উদ্যোগী সিপিএম। এই লক্ষ্যে খোলা হল জনস্বাস্থ্য কেন্দ্র। এই কেন্দ্রের চিকিৎসকের ফিস মাত্র ৫০ টাকা। তবে সাধারণ পেট ব্যথা, জ্বর-কাশির ক্ষেত্রে কোনও টাকা নেওয়া হবে না বলে জানা গিয়েছে। প্রথম জনস্বাস্থ্য কেন্দ্র খোলা হয়েছে রাসবিহারিতে। এই কেন্দ্রের সূচনা করেন ডাক্তার ফুয়াদ হালিম। ধীরে ধীরে পরে শহরের একাধিক জায়গায় জনস্বাস্থ্য কেন্দ্র শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
অতিমারী পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা থাম নিয়ে উদ্বিগ্ন আমজনতা। ছোঁয়াচে এড়াতে চিকিৎসকরা চেম্বার বন্ধ করে দিয়েছেন, এমন অভিযোগ ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গা থেকে উঠেছে। অন্যদিকে লকডাউনের গেরোয় বন্ধ হয়েছে দুরো চিকিৎসা। এই অবস্থায় ফের একবার সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ডাক্তার ফুয়াদ হালিম। এর আগে লকডাউন পর্বের শুরুতে মাত্র ৫০ টাকায় ডায়ালিসিস করিয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। পরে কোভিডে আক্রান্ত হন তিনি। যদিও শেষমেষ করোনা জয় করে ফের মানব সেবায় ফিরে আসেন ফুয়াদ হালিম।
উল্লেখ্য, ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে অনেকদিন আগেই। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে বিভিন্ন উপায়ে প্রচার শুরু করে দিয়েছে প্রায় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল। যদিও বরাবরের মতোই ব্যতিক্রমী বামেরা। 'প্রচারে নয়, কাজ দিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে' এই মূলমন্ত্রকে মাথায় রেখে বরাবরের মতই সরাসরি মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে দেখা গিয়েছে বাম নেতাদের।
ইতিমধ্যেই বামেদের শ্রমজীবী ক্যান্টিন যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে। প্রশংসিত হয়েছে জনসাধারণের কাছে।লকডাউনের জেরে কর্মহীন মানুষের মুখে সস্তায় অন্ন তুলে দিচ্ছে শ্রমজীবী ক্যান্টিন। এছাড়াও আম্ফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জায়গাতেই সশরীরে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে দেখা গিয়েছে বাম নেতাদের। এরপর এই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে স্লোগান উঠেছে দরকারে পাই তাই সরকারের চাই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই স্লোগানকে ভোট পর্যন্ত চিরস্থায়ী করতে ফের নতুন উদ্যোগে জনসেবায় নিয়োজিত হয়েছে বাম শিবির।

No comments:
Post a Comment