সোমেনের শূন্যস্থান পূরণে যোগ্য ব্যক্তি অধীর! রাজ্য থেকে চিঠি গেল সোনিয়ার কাছে - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 3 September 2020

সোমেনের শূন্যস্থান পূরণে যোগ্য ব্যক্তি অধীর! রাজ্য থেকে চিঠি গেল সোনিয়ার কাছে


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতাহয়তো এবারে সোমেনের খালি জায়গা পূরণ হতে চলেছে! 'অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করা হোক।' বৃহস্পতিবার এই মর্মে দাবী জানিয়ে রাজ্য থেকে চিঠি গেল কংগ্রেস দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছে। সূত্রের খবর, দলনেত্রীর কাছে এই দাবী জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চিঠিতে আব্দুল মান্নান লিখেছেন, 'আরও অনেকে ওই পদের(প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি) দাবীদার থাকলেও অধীর রঞ্জন চৌধুরী ওই পদের জন্য যোগ্য ব্যক্তি। তিনি আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন। অধীর এখন লোকসভার দলনেতা। সোমেন মিত্রর মৃত্যুর পর খালি রয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতির পদ।'

উল্লেখ্য, সোমেন মিত্রর মৃত্যুর পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদের শূন্যস্থানে কে পূরণ করবেন, সেই নিয়ে অনেকদিন ধরেই টানাপোড়েন শুরু হয়েছে দলের অন্দরে। এদিকে সভাপতির পদে আসীন হওয়ার জন্য বর্তমানে প্রদেশ কংগ্রেসের হাতে রয়েছে গোনা কয়েকজন দাবীদার। কিন্তু এক্ষেত্রে নানা সমীকরণ হিসাব করেই নিয়োগের পথে এগোতে চাইছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। দলীয় সূত্রে খবর, বাংলার ক্ষেত্রে দুই কূল বাঁচিয়ে চলতে চাইছে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে রাজ্যে বামেদের সঙ্গে জোটে থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জঙ্গী বিরোধিতা করতে চাইছে না কংগ্রেস।

কংগ্রেসের এই টানাপোড়েন নিয়ে ইতিমধ্যেই ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে বিস্তর আলোচনা হয়। তবে সমাধান খুঁজে না বের করতে পেরে শেষমেশ সোনিয়া গান্ধীর হাতেই ব্যাটন তুলে দিয়েছেন দলের কর্মীরা। সেক্ষেত্রে সোনিয়া গান্ধীর পছন্দের তালিকায় প্রথমেই প্রদীপ ভট্টাচার্যর রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। কারণ বরিষ্ঠ এই কংগ্রেস নেতা কোনওদিনই তথাকথিত ভাবে মার্কামারা মমতা বিরোধী নন। আবার বামেদের সঙ্গেও তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে। যদিও প্রদীপবাবুকে সভাপতির পদ দিতে রাজ্যে কিছুটা আপত্তি রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

সেক্ষেত্রে হাইকমান্ডের দ্বিতীয় পছন্দর তালিকায় অধীর চৌধুরীর নাম রয়েছে বলে সূত্রের খবর। শোনা যাচ্ছে সভাপতি পদের তৃতীয় দাবীদার হিসেবে রয়েছেন আব্দুল মান্নান। যদিও এই দুজন বাংলায় কতটা দুকুল বাঁচিয়ে চলতে পারবে সেই বিষয়ে প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে। এই দুই নেতার সঙ্গেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূলের সম্পর্ক কার্যত অহিনকুল স্তরের। সূত্রের খবর, এই অবস্থায় তাদের একজনকে পশ্চিমবঙ্গের মাথা করে নিয়োগ করলে সমঝোতায় গড়বড় হতে পারে বলে মনে করছে দল। এখন দেখার বিষয় শেষমেষ কার হাতে রাজ্যের দায়িত্ব তুলে দেন দলনেত্রী।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad