প্রতারণার নতুন ফাঁদ হ্যকারদের! শিকার ভদ্রেশ্বরের ব্যক্তি - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 4 September 2020

প্রতারণার নতুন ফাঁদ হ্যকারদের! শিকার ভদ্রেশ্বরের ব্যক্তি


নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি: আমাদের জীবনের সঙ্গে আজকাল অঙ্গাগীভাবে জড়িয়ে গিয়েছে ইন্টারনেট। হাসি ঠাট্টা থেকে শুরু করে রোজগারের উপায় টুকু খুঁজতেও আমাদের প্রথম পছন্দ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমগুলো। আর হবে নাই বা কেন! এক ক্লিকেই যে জানা যাচ্ছে নানান তথ্য। তবে সুবিধার সাথে সাথে কিন্তু অসুবিধাগুলোও চলে এসেছে। দিন প্রতিদিন বাড়ছে হ্যাকারদের সংখ্যাও। চারিদিকে সব ওত পেতে বসে রয়েছে। আপনি একটু ভুল করেছেন কি আপনার সমস্ত উপার্জন চলে যাবে সেইসব হ্যাকার ও প্রতারকদের হাতে। এক কথায় দেশ জুড়ে টালমাটাল সাইবার নিরাপত্তা। এই ভাবেই প্রতারণার শিকার হলেন ব্যক্তি। তবে এবারের ফাঁদটা একটু অন্যরকম।  

এবারে ফোনপে নামক মোবাইল অ্যাপ থেকে প্রতারণা। হ্যাঁ ঠিকই দেখছেন। এমন ঘটনার শিকার ভদ্রেশ্বরের ৪নম্বর তেলিনিপাড়ার শেখর সরকার। গত পরশু নিজের বাড়ীতে অফিসের কাজ করছিলেন।ঠিক সেই সময় একজন ফোন করে বলেন, "আমি ফোন পে কোম্পানি থেকে বলছি। আপনার ৫হাজার টাকা ক্যাশব্যাক অফার আছে, আজকের মধ্যে যদি এই অফার না নেন তাহলে রিটার্ন  চলে যাবে।" এটা শুনে শেখর বাবু বলেন, "এটা নিতে হলে কি করতে হবে"। তখন ফোনের ওপার থেকে বলা হয়, "আমরা একটা নোটিফিকেশন পাঠাবো তারপর যেমন ভাবে বলবো ঠিক সেটাই করবেন আপনি ৫হাজার টাকা ক্যাশব্যাক পেয়ে যাবেন"। ওদের কথা শুনে ফোনপে খুলে ওরা যা বলে শেখর বাবু সেটা করতেই চার হাজার নয়শো নিরানব্বই টাকা কেটে যায়। এর পর শেখর বাবু ফোন করে বললে তারা বলেন সিস্টেমের ভুলে আপনার এই টাকাটা কেটে নিয়েছে, আপনি আরও একবার একই ভাবে চেষ্টা করুন তাহলে এই টাকাটা পেয়ে যাবেন। শেখর বাবু ওদের কথা শুনে আবার চেষ্টা করলে আবারও ঐ একই পরিমান টাকা কেটে নেয়। তখন শেখর বাবু  বুঝতে পারেন যে এটা প্রতারণা করা হচ্ছে তারপর তিনি ওদের ফোন করে বললে ওরা দেখছি বলে দ্বিতীয় বার ফোন করলে ফোন বন্ধ করে দেয়। 

এই ঘটনার পরে শেখর সরকার ভদ্রেশ্বর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, আজ আমার সাথে হয়েছে কাল অন্য কারও সাথে হবে তাই পুলিশ প্রশাসন যদি সক্রিয় হয় তাহলে এই প্রতারণা চক্র হয়তো বন্ধ করা সম্ভব। শেখর বাবুর স্ত্রী জানান, লকডাউনে মানুষের কাজ নেই, তারপর এই ভাবে প্রতারণা করলে মানুষ খাবে কি! এই ঘটনার পরে তদন্তে নামেন চন্দননগর সাইবার সেলের অফিসাররা।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad