অযোধ্যার রাম মন্দিরের ভূমিপুজন হওয়ার কথা ৫ আগস্ট। ভূমি পূজায় যোগ দিতে বড়-বড় লোক অযোধ্যা পৌঁছে যাচ্ছেন। রাম মন্দির আন্দোলনে জোরালোভাবে জড়িত সাধ্বী ঋতম্ভরাও অযোধ্যা যাচ্ছেন। অযোধ্যা পৌঁছানোর আগে সাধ্বী ঋতম্ভরার সংবাদ সংস্থার সাথে বিশেষ আলাপ হয়েছিল। আডবানী-যোশীকে আমন্ত্রণ না করার খবরে সাধ্বী ঋতম্ভরা, বলেছিলেন যে ভিত্তি ছাড়া শিখর জ্বলে না। তাঁদের ছাড়া কীভাবে ভূমি পূজন হবে, তাদের সেখানে থাকা উচিৎ।
সাধ্বী ঋতম্ভরা বলেছিলেন, 'আমাদের এ সম্পর্কে কোনও খবর নেই। আমি মনে করি না যে এ জাতীয় জিনিস সম্ভব, কারণ আডবানী ও যোশী না থাকলে বিষয়টি কীভাবে তৈরি হত। এই লোকেরা রাম মন্দির আন্দোলনের ভিত্তি ছিল এবং ভিত্তি ছাড়া শিখর কখনই জ্বলে না। কেবলমাত্র ভিত্তির ভিত্তিতে শিখরটি জ্বলে। তাদের আমন্ত্রিত করা হয়েছে কি না, তবে তাদের অনুপস্থিতির কারণ হতে পারে স্বাস্থ্য বা বয়স। '
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ভূমি পূজনে আমন্ত্রণ করা কি ঠিক?
সাধ্বী ঋতম্ভরার ওপর অনেক মামলা চলছে। জনগণকে উস্কানি দেওয়া, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, রাষ্ট্রদ্রোহের মতো তার অনেক মামলা রয়েছে। এমতাবস্থায়, ঋতম্ভরাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, ভূমি পূজনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ করা ঠিক কি না। এ সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, আমি এত বড় সন্ত্রাসী নই। হ্যাঁ, এই বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন, তবে এর সিদ্ধান্তও শীঘ্রই আসবে। সত্যের জয় হোক। আমার অযোধ্যা যাওয়া কোনও অপরাধ নয়। আমাকে ডাকা না হলেও, কিছু যায় আসে না। আমি মনে মনে অযোধ্যাতে থাকি।
৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ভাঙার বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, বাবরি মসজিদ ধ্বংস ঈশ্বরের একটি স্থির ব্যবস্থা ছিল, যেহেতু ভগবান রামের মন্দির নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর ৫ আগস্টে হওয়ার কথা ছিল। এটি কোনও রাজনৈতিক দলের পরিকল্পনা ছিল না। এটি আমার রাম লালার পরিকল্পনা, যা এখন চলছে। আমি নিজেকে অপরাধী মনে করি না।

No comments:
Post a Comment