নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর দিনাজপুর: পাঠ্যপুস্তক থেকে ইতিহাসকে জানা যায়। মহামারী নাম শুনলেও বাস্তব জীবনে বেশির ভাগ মানুষ মহামারী সম্পর্কে অবগত নয়। এবারে সারা বিশ্বের মানুষ এ ধরনের মহামারীর সম্মুখীন হলেন। এই মহামারীকে ঠেকাতে বিশ্বজুড়ে "লকডাউন" নামক একটি শব্দের সাথে পরিচিত হতে হয়েছে। দীর্ঘ ৪ ধরে এই লকডাউন প্রত্যক্ষ করেছেন ভারতবর্ষের মানুষ। আর এই ইতিহাসকে সংরক্ষন করে রাখতে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিষয়ের অধ্যাপক তাপস পাল বই লেখা শুরু করেছেন।
তাপস বাবুর মতে, প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, রামায়ন, মহাভারতের যুগে কি ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থা ছিল পাঠ্যবই পড়ে মানুষ অবগত হয়েছে। সেই কারণে লেখনীর মাধ্যমে ইতিহাসকে সংরক্ষন করে রাখা খুবই প্রয়োজন। আগামী প্রজন্মকে হয়ত এ ধরনের মহামারী বা লকডাউনের মুখোমুখি হতে হবে না। যদি হতেই হয় তবে সারা বিশ্ব কিভাবে এই লকডাউন মোকাবিলা করেছে, লকডাউনে কি কি সাফল্য, ব্যর্থতা ছিল আগামী প্রজন্ম এই বইয়ের মাধ্যমে জানতে পারবে।সেই অনুভূতি থেকেই লকডাউনের পুরো ঘটনা লিপিবদ্ধ করার কাজ শুরু করেছেন।
বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য নিয়ে এই কাজ করছেন বলে জানালেন তাপস বাবু। ২০২১ সালে নিউইয়র্কে বই মেলায় তার বই প্রকাশ করার পরিকল্পনা আছে। তাই অধ্যাপক তাপস বাবু অক্লান্ত পরিশ্রম করে "লকডাউন" নামক বই লিখছেন।

No comments:
Post a Comment