গত কয়েক মাস ধরে গুঞ্জন চলছে, দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে কি বাংলার ভোটে ঘোষ ব্রান্ড হবে নাকি অন্য কোনও মুখ? প্রশ্নটি মিডিয়া পাড়া থেকে ভোটার মহল সহ বিভিন্ন সেক্টর থেকে উঠছে ।
অনেকেই মনে করছেন বুকের ওপর পা দিয়ে রাজনীতি করব এমন উদ্ধত্য আর গোরুর দুধে সোনা আছে জাতীয় মন্তব্য শহুরে শিক্ষিত সচেতন নাগরিকরা ভালোভাবে নেন নি। এমনকি সংঘ প্রচারক থেকে রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর বাংলায় বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি ও বিধায়ক এবং সাংসদ হওয়ার সাফল্যের পরও রাজনৈতিক দক্ষ বিচক্ষণতা দিলীপ ঘোষ দেখাতে ব্যর্থ বলে মনে করেন বিরাট অংশের মানুষ। যদিও গ্রামীন সমাজে দিলীপ ঘোষ উল্টে হিম্মৎ ওয়ালা হিসাবেই পরিচিত হয়েছে।
রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিধানসভার মত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে বিপক্ষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতন জনপ্রিয় নেত্রী থাকার কারণে বিজেপির মুখ হতে গেলে সর্বজন গ্রাহ্য হতে হবে। এরকম পরিস্থিতিতে তথাগত রায়ের মতন ব্যক্তির আগমন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কেউ কেউ কয়েক কদম এগিয়ে মনে করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় চিন্তন কমিটির প্ল্যানিং হতে পারে।
পাশাপাশি, তথাগত ও দিলীপ জুটির জোড়া আক্রমণে নাস্তানাবুদ হবে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে বিজেপির সংগঠনের দিলীপ ঘোষের একাধিপত্য নিয়ে ক্ষুব্ধ শক্তিও খুশি হবেন। তথাগত রায়ের বিজেপিতে ফেরা তাই কার্যত এক তীরে বহু শিকার।
সংবাদমাধ্যম তা বিলক্ষণ বুঝতে পেরে তথাগত রায়ের কলকাতা ফেরা থেকে কৈলাশ বিজয় বর্গীয়র সাথে বৈঠক পর্ব সর্বত্র নজর রেখেছে ক্যামেরা তাক করে।
বিজেপি সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির সাংগঠনিক চাণক্য অমিত শাহ বাংলায় নভেম্বরে আসার পর নিজের মত করে বাংলা জয়ের ছক কষবেন।

No comments:
Post a Comment