নিজস্ব সংবাদদাতা: শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আরামবাগ থানার অন্তর্গত হরিণখোলা এলাকা। এমনকি গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে মৃত্যু হল এক তৃণমূল কর্মী। পাশাপাশি আহত ৬ জন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আরামবাগ থানার পুলিশ এলে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেয় আরামবাগের হরিণখোলা এলাকার বাসিন্দারা।
এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে হরিণখোলা পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূল নেতা লাল্টু খা ও জেলা সভাধিপতি মেহবুব রহমানের ভাই পারভেজ রহমানের মধ্যে একটা চাঁপা উত্তেজনা ছিল, যা আজ প্রকাশ্যে আসে এবং মুহূর্তেই প্রকাণ্ড রূপ নেয়। লাল্টু খাঁয়ের অভিযোগ, পারভেজ তাঁর লোকজন নিয়ে ভোলতাজ পুর এলাকায় এসে তাঁর অনুগামীদের উপর আক্রমন চালায়। চলে মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি। এমনকি কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় পারভেজের লোকজন, যার আঘাতে মৃত্যু হয় ইসরাইল খান ওরফে চন্দন নামে এক ব্যক্তির। মুহুর্তে বন্ধ হয়ে যায় এলাকার দোকান-পাঠ। পাশাপাশি বোমা ও গুলিতে আহত হন আরও ছয় জন।
আরামবাগ থানার আইসি কে এলাকায় ঢুকতে বাধা দিলে এসডিপিও বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে এলাকায় ঢোকেন। বসানো হয় পুলিশ পিকেট। চলে টহলদারি। আহতদের আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পাশাপাশি তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব বলেন, 'ঘটনার খবর পেয়েছি। আমি নিজে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি সমস্ত বিষয়ে নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সাথে কথা বলবো। তবে প্রশাসন নিজের কাজ করবে।

No comments:
Post a Comment