এ বিষয়ে বিচারপতি অরুণ মিশ্র বলেছিলেন, আমরা যে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেব, পুনর্বিবেচনার আবেদনের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তার কার্যকর করা স্থগিত করা যেতে পারে। দবে পুনরায় শুনানি বন্ধের দাবি করে বলেন, "বিচারপতি অরুণ মিশ্র অবসর নেওয়ার আগে তার সিদ্ধান্তের প্রয়োজন বলে আদালত দেখাতে চায়।" এ সম্পর্কে বিচারপতি মিশ্র বলেছিলেন যে দোষী সাব্যস্তকারী বেঞ্চই শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয়। এটি একটি প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া। বিচারপতি মিশ্র ৩ সেপ্টেম্বর অবসর নেবেন।
প্রশান্ত ভূষণ বলেন, আমার বক্তব্য বোঝা যাচ্ছিল না বলে আমি দুঃখিত। এমনকি আমার সম্পর্কে অভিযোগের একটি অনুলিপিও সরবরাহ করা হয়নি। আমি শাস্তি নিয়ে চিন্তিত নই। সাংবিধানিক দায়িত্বের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি।
প্রশান্ত ভূষণের পক্ষ থেকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট রাজীব ধাওয়ান বলেছিলেন, "সাজার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আদালতের দুটি বিষয় বিবেচনা করা উচিৎ ...
১. ভূষণ যা বলেছেন তা দীর্ঘকাল ধরে মানুষের মধ্যে আলোচনায় রয়েছে।
২. ভূষণ সবসময় বিচার বিভাগ ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে আইনজীবী হিসাবে কাজ করেছেন।
পুরো বিষয়টি কী?
প্রশান্ত ভূষণ ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এবং প্রধান বিচারপতি এস এ বোবড়ের বিরুদ্ধে ট্যুইট করেছিলেন, যার ভিত্তিতে আদালত স্বয়ংক্রিয় সংজ্ঞান নিয়ে অবমাননার কার্যক্রম গ্রহণ করেছিল। ২৭ জুন, প্রশান্ত ভূষণ তার ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে একটি ট্যুইট এবং প্রধান বিচারপতি এস এ বোবড়ের বিরুদ্ধে আরেকটি ট্যুইট করেছিলেন। ২২ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট প্রশান্ত ভূষণকে একটি নোটিশ জারি করেছিল।
প্রশান্ত ভূষণকে ২ টি ট্যুইটের জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। একটি ট্যুইট বার্তায় তিনি সর্বশেষ ৪ জন প্রধান বিচারপতিদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র নষ্ট করতে ভূমিকা রাখার অভিযোগ তোলেন। অন্য একটি ট্যুইটে তিনি বর্তমান প্রধান বিচারপতির বাইকে বসে থাকা ছবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। সুপ্রিম কোর্টও ট্যুইটারকে এই মামলায় একটি পক্ষ বানিয়ে উত্তর দায়ের করতে বলেছিল।

No comments:
Post a Comment