রায়গঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমার বলেন, 'আমরা নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করেছি। ঘটনার তদন্ত চলছে।' এই বিষয়ে করনদীঘির তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুভাষ সিনহা বলেন, 'ফজলুর বর্তমানে দলের কোন পদে নেই। তবে দলের সক্রিয় কর্মী। ঘটনার খবর সম্প্রচারের পরেই দলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালা এই বিষয়ে দলগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।'
অন্যদিকে, এখনও আতঙ্কে রয়েছেন ওই নাবালক ও তার পরিবারের সদস্যরা। কোনভাবেই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে প্রথম দিকে রাজি না হলেও পরবর্তীতে গোপন এলাকায় গিয়ে তার বাবা বলেন, ছেলেকে বাঁচাতে আমাকেও তখন দুঘা দিতে হয়েছিল। আমি ভেবেছিলাম ওখানে ছেলেকে বাঁচাতে গেলে মার খেতে হতো আমাকেও।

No comments:
Post a Comment