সেখানে কিছুটা জায়গা ফাঁকা পরে আছে। আশে পাশে কয়েকটি পরিবারে বাস, রয়েছে কিছু দোকান-পাটও। তবে সেই সব মানুষদের কথা চিন্তা না করেই বাজারের পচা-গলা জিনিস ফেলা হচ্ছে ওই খালি জায়গায়। সেই সাথে আবর্জনা, মাছের আঁশ, মাংসের দোকানের ময়লা বাদ নেই কোনওটাই। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ময়লা ফেলায় সেখানে তৈরি হয়েছে আবর্জনার স্তুপ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবর্জনা ফেলার নির্ধারিত স্থান দেওয়া হলেও এই ফাঁকা জায়গাকেই ডাস্টবিন বানিয়ে ফেলেছেন তারা। সেখান থেকে এতটাই দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে, যে এলাকাবাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত।
স্থানীয় এক প্রবীণ বাসিন্দা সমীর মুখার্জী জানান, "আমি গত কুড়ি বছর আগে এখানে বাড়ী করেছি, তখন এমন ছিল না। শেষ ৩ বছর ধরে এটা দেখা যাচ্ছে বাজার থেকে মাছ, সব্জি বিক্রেতারা যখন যেখানে খুশি নোংরা ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছে। খাসি, মুরগির নাড়িভুঁড়ি সব এখানে ফেলে চলে যাচ্ছে তারা। আমার ঘরে ছোট বাচ্চারা আছে, দরজা-জানালা খুলে রাখতে পারি না, গন্ধ ছড়ায়, খুব অসুবিধা হয়। বাজার সমিতি, কুরচিশিদপুরের প্রধান, বিডিও, স্বাস্থ্য দপ্তরকে জানিয়েও লাভ হয়নি কোনও। শেষে "দিদিকে বলো"-তেও জানিয়েছি। তবে আমাদের এমএলএ খুব ভালো মানুষ, তিনি চান এই সমস্যার সমাধান হোক। কিন্তু ওনার কথার গুরুত্ব কেউ দেন না, বিশেষ করে কুরচিশিদপুরের প্রধান প্রদীপ মাটি।"
এলাকার অপর বাসিন্দা সৌরভ কর, রণজিৎ গোস্বামী সহ অন্যান্যদের মত, এই উন্মুক্ত জায়গায় এভাবে আবর্জনা ফেলায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করুক প্রশাসন।

No comments:
Post a Comment