প্রথমে স্থানীয় মানুষ আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে গোবরডাঙ্গা ও গাইঘাটা থেকে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান হোটেলের কোন রান্নাঘর থেকে আগুন লেগেছে। আটটি দোকান সম্পূর্ণ পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে এবং কয়েকটি দোকানের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। আগুন লাগার ঘটনা সামনে আসতেই ঠাকুরনগর স্টেশনে তড়িঘড়ি রেললাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আগুনের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই গাইঘাটা থানার আধিকারিক বলাই ঘোষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান।
দমকলের আধিকারিক জানান, প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে আগুন হোটেলের থেকে ছড়িয়ে পড়ে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকে এই ঘটনা ঘটেছে কিনা। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন লাগার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা এবং রেলস্টেশন সংলগ্ন ঠাকুরনগর ফুল বাজারের সম্পাদক পার্থপ্রতিম বিশ্বাস এবং সদস্যরা হাতে হাত লাগিয়ে দোকানের জিনিসপত্র অন্য জায়গায় নিয়ে যান। নিজেরাই জলের বালতি করে আগুন নেভানোর কাজে হাত না লাগালে অবশ্য এই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারত।

No comments:
Post a Comment