মমতা এই সময়ে এফআরবিএমের বিষয়টিও উত্থাপন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে কেন্দ্রীয় সরকার এফআরবিএম (আর্থিক দায়বদ্ধতা এবং বাজেট পরিচালনা) সীমা তিন শতাংশ থেকে পাঁচ শতাংশে বাড়িয়েছে তবে দুই শতাংশের মাত্র ০.৫ শতাংশকে শর্তহীন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে এক বছরের জন্য বাকী ১.৫ শতাংশ নিঃশর্ত করার অনুরোধও করেন তিনি। বঙ্গীয় সরকার সংবাদমাধ্যমকে জারি করা এক বিবৃতিতে মমতার বরাত দিয়ে বলেছে যে, এগুলি বাদে রাজ্য কেন্দ্রীয় সরকার থেকে ৪১৩৩ কোটি টাকা এবং মোট ৫৩,০০০ কোটি টাকা বকেয়া পাওয়া বাকি। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে শিগগিরই এটি সম্পন্ন করতে বলেছেন যাতে কোভিড -১৯ আরও কার্যকরভাবে মোকাবেলা করতে পারেন।
মমতা এই সময়ের মধ্যে কোভিড -১৯ রোগীর চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন বা সিরামের বিষয়টিও উত্থাপন করেছিলেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে এ বিষয়ে গাইডলাইন দেওয়ার আহ্বান জানান। বিবৃতিতে তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, "ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারকে কোন ভ্যাকসিন কেনা ও ব্যবহার করতে হবে তা অনুমোদিত করা উচিৎ। কেন্দ্রের এই বিষয়ে গাইডলাইন জারি করা উচিৎ। তিনি কেন্দ্রকে উচ্চ প্রবাহের অনুনাসিক ক্যানুলা এবং ভেন্টিলেটর সরবরাহ করার আহ্বান জানান।

No comments:
Post a Comment