তাদের অভিযোগ দোকানের বাইরে খোলা অবস্থায় বৈদ্যুতিক তার থাকার জন্যই বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে মারা গেছে ষাঁড়টি। ষাঁড়-ষাঁড় মারামারি করলে দোকানের বাইরে রাখা জিনিশপত্র লন্ডভন্ড হয়ে যেত এবং মৃত ষাঁড়টির গায়ে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। ফলে বোঝা যাচ্ছে বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে মারা গেছে ষাঁড়টি। এই ঘটনা খুবই বেদনাদায়ক।
অভিযুক্ত দোকানের মালিক উজ্জল পাল জানিয়েছে, বৈদ্যুতিক তারে নয়, দুটি ষাঁড় মারপিট করতে গিয়েই মৃত্যু হয়েছে একটি ষাঁড়ের।
এই ঘটনায় ২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি জানান, 'ঘটনাটি আমি শুনেছি। দোকানের মালিককে ফোন করেছিলাম। তিনি বলেছেন, ষাঁড়-ষাঁড় লড়াই করছিল তাতেই মৃত্যু হয়েছে একটি ষাঁড়ের ।কিন্তু আমি এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জেনেছি বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে মারা গেছে ষাঁড়টি। এই ঘটনা কোন মানুষের সাথে ঘটতে পারত। ফলে আমি এই বিষয়টি প্রশাসনকে জানাবো। কেন তার দোকানের বাইরে খোলা অবস্থায় বৈদ্যুতিক তার ছিল? প্রশাসনকে বলব যাতে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই বিষয়টি দেখতে।'

No comments:
Post a Comment