এ প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুর প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য অতীন ঘোষ জানান, 'প্রতিটি বরোতে প্রতিদিন এই তিন রুটেই পরীক্ষা পদ্ধতি চলবে। যত বেশি শনাক্ত করা যাবে, তত দ্রুত করোনা সংক্রমণকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। সংক্রমিতদের চিহ্নিত করে আইসোলেশনে বা হাসপাতালে পাঠানো সহজ হবে পুরসভার পক্ষে।'
প্রসঙ্গত, প্রথম থেকেই উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তরা চিন্তা বাড়াচ্ছিল পুরসভার। এই সমস্যার সুরাহা করতেই এই নতুন পদ্ধতিতে করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে পুর সূত্রে। এই তিন পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে অ্যান্টিজেন টেস্টের ক্ষেত্রে। এক্ষেত্রে পুরসভার ১৬টি বরোতে পৃথকভাবে নির্দিষ্ট সেন্টার থেকে প্রতিদিন করোনা পরীক্ষার জন্য লালারস বা নাসিকা রস সংগ্রহ করা হবে। কলকাতা পুরসভার ৯ টি ভ্রাম্যমাণ অ্যাম্বুলেন্স বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে এই লালা রস নমুনা সংগ্রহ করবে।

No comments:
Post a Comment