গোলা থানা এলাকার জয়ন্তীবাড়ের বাসিন্দা যুবক বন্য হাতির ঝাঁকের কারনে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে বনের দিকে যাওয়া গ্রামবাসীরা ঝোপের মধ্যে ওই যুবকের লাশ দেখতে পান, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। বলা হচ্ছে যুবক গরু নিয়ে সোমবার বিকেলে বনে যান। অন্যদিকে, তথ্যের পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি পোস্টমর্টেমের জন্য প্রেরণ করেছে।
নিহত ব্যক্তির নাম সুলেমান আনসারী। বলা হচ্ছে, সুলেমান সোমবার বিকেলে বনের দিকে যাওয়ার পরে সন্ধ্যা অবধি বাড়ি ফিরেনি। নিকটতম আত্মীয় এবং অন্যান্য গ্রামবাসী তাকে সন্ধান করেছিলেন কিন্তু তারা কোনও সাফল্য পান নি। অন্যদিকে, যে লোকেরা আজ সকালে কোনও কাজের জন্য বনে গিয়েছিল তারা বনের মাঝখানে ঝোপের মধ্যে সুলেমানের লাশ দেখতে পায়। তারপরে তথ্যটি গ্রামের প্রধান, বন বিভাগের টিম এবং সুলেমানের পরিবারকে জানানো হয়।
মরদেহের খবর পেয়ে বন বিভাগের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের স্বজনদের ২৫ হাজার টাকা সহায়তা দেয়। বলা হচ্ছে যে জয়ন্তবেদার কাছে হাতুয়াডাহ বনে ১৩ থেকে ১৪ টি বন্য হাতির উপস্থিতি রয়েছে। যারা প্রায়শই আশেপাশের গ্রামাঞ্চলে বাড়িঘর ভাঙচুর করেন। তারা ফসলের ক্ষতি করে।
ঝাড়খণ্ডে হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্থদের সরকার ক্ষতিপূরণ দেয়। এর আওতায় কেউ মারা গেলে চার লাখ টাকা, আহত হলে ১৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে। এর সাথে স্থায়ীভাবে পঙ্গু হলে দু লক্ষ টাকা দেওয়া হয়, ফসলের ক্ষয়ক্ষতির জন্য হেক্টর প্রতি ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

No comments:
Post a Comment