বিশ্বভারতীর জমি তৃণমূলের সঙ্গে জড়িতরা দখল করে নিয়েছে। সেই জমিতে দোকানপাট চলছে। এবং ওখান থেকে স্থানীয় নেতৃত্ব তোলা তুলছেন। যেহেতু তাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তাই তাতে বাঁধা দিচ্ছে তৃণমূল। মঙ্গলবার সকালে দিল্লী থেকে কলকাতায় ফিরে হাওড়া স্টেশনে নেমে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এই ভাষাতেই শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে গন্ডগোলে রাজ্যের শাসক দলকে কার্যত কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
বিজেপির রাজ্যসভাপতির দীলিপ ঘোষ বলেন, আদালতের নির্দেশে যখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার নিজের জমিতে পাঁচিল তোলার কাজ করছে তখন তৃণমূলের কি অধিকার আছে বাধা বাধা দেওয়ার। তার আরও অভিযোগ, রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তৃণমূলের পার্টি অফিস হয়ে গিয়েছে। আর সেই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা তৃণমূলের হয়ে ধর্ণায় বসেন। এই ঘটনার পেছনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে। শান্তিনিকেতনের তৃণমূলের সভাপতি ও বিধায়কের মদতে পুলিশের সামনে তৃণমূলের কর্মীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে ।
দীলিপ ঘোষের অভিযোগ, শিক্ষাক্ষেত্র গুলিকে তৃণমূল রাজনীতির কেন্দ্রস্থল বানিয়ে ফেলেছে। বিশ্বভারতীর ক্ষেত্রে তিনি মনে করেন অবিলম্বে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এ ব্যাপারে তিনি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথাও বলেছেন বলে দাবি করেন।

No comments:
Post a Comment