প্রকাশিত হল এছরের মাধ্যমিকের ফল। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানান, অন্যান্যবারের মতো সকাল ৯টায় না, এবার সকাল ১০টায় ফল প্রকাশিত হয়। wbresults.nic.in ওয়েবসাইটে রেজাল্ট জানা যাবে। পরীক্ষার্থীদের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মোট পরীক্ষার্থী ১০ লক্ষ ৩ হাজার ৬৬৬। এর মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৫৬৫৬৬৮। এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৪৩৭৯৯৮ । এবার মাধ্যমিকে ছাত্রী পরীক্ষার্থীর সংখ্যাটা বেশি ১২.৭২ শতাংশ। সাফ্যলের হারে ছাত্রীরা সামান্য পিছিয়ে। সফল পরিক্ষার্থী ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ৩০৫।
মোট পাস করেছে ৮৬.৩৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ছাত্র পাস ৮৯.৮৭ শতাংশ। ছাত্রী ৮৩.৪৮ শতাংশ।
কলকাতায় পাশের হার ৯১.০৩ শতাংশ। পুর্ব মেদিনীপুর সাফল্যের হারে প্রথম, ৯৬.৫৯ শতাংশ। সাফল্যের হারে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পশ্চিম মেদিনীপুর ও কলকাতা। চতূর্থ ও পঞ্চম স্থানে সাফল্যের হারে দুই ২৪ পরগনা।
এবছর করোনা আবহে ১৩৯ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ হল ।
মাধ্যমিকে অষ্টম ১১ জন। ১৭ জন সপ্তম স্থানে। পঞ্চম হয়েছে চারজন। দক্ষিণ দিনাজপুরের অঙ্কিত সরকার, বর্ধমানের স্বস্তি সরকার, বাঁকুড়ার রশ্মিতা মহাপাত্র, মুর্শিদাবাদের বিভাস মণ্ডল।
মাধ্যমিকে চতুর্থ অগ্নিভ সাহা প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯ স্কুলের নাম, বীরভুম জেলা স্কুল। মাধ্যমিকে তৃতীয় পুর্ব মেদিনীপুর ভবানীচক হাই স্কুলের দেবস্মিতা মহাপাত্র। মাধ্যমিকে তৃতীয় রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র অরিত্র মাইতি। মাধ্যমিকে তৃতীয় সৌম্য পাঠক প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০। কাটোয়া থেকে যুগ্ম দ্বিতীয় অভীক দাস, কাটোয়া কাশিরাম দাস হাইস্কুল। বাঁকুড়া থেকে দ্বিতীয় সায়ন্তন গড়াই, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩ বাঁকুড়া ওন্দা হাইস্কুল। পূর্ব বর্ধমান থেকে প্রথম অরিত্র পাল, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪।
মোট ৪৯ টি ক্যাম্প অফিসের মাধ্যমে ২২ জুলাই মার্কশিট মিলবে স্কুলে, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই ১ সপ্তাহ সময়।
সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে মার্কশিট দেওয়া হবে। তবে পরীক্ষার্থীরা গিয়ে মার্কশিট নিতে পারবে না। অভিভাবকদের গিয়ে মার্কশিট সংগ্রহ করতে হবে। এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষা হয় ১৮ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৮০।

No comments:
Post a Comment