মহাশ্বেতা দেবীর মৃত্যু বার্ষিকীতে মমতার শ্রদ্ধাঞ্জলি - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 28 July 2020

মহাশ্বেতা দেবীর মৃত্যু বার্ষিকীতে মমতার শ্রদ্ধাঞ্জলি



সাহিত্যজগতে মহাশ্বেতা দেবীর অবদানের কথা স্মরণ করে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার তাঁর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রখ্যাত লেখিকা ও সমাজসেবীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।  'হাজার চৌরাশির মা', 'ছোটি মুন্ডা এবং তার তীর', 'রুদালী' এবং 'ঝাঁশির রানী' -র মতো মাস্টারপিসগুলির জন্য পরিচিত, মহাশ্বেতা দেবীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুপ্রেরণা হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

 তিনি ট্যুইট করেছেন, 'মহাশ্বেতা দি'র মৃত্যুবার্ষিকীতে ওনাকে খুব মনে পড়ছে।  তিনি আমার জন্য একজন পথপ্রদর্শকের মত ছিলেন।  সাহিত্য জগতে তাঁর অবদান ছাড়াও তিনি সমাজের প্রান্তিক শ্রেণি, উপজাতি ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য যে কাজ করেছেন তা অনুপ্রেরণামূলক। আপনাকে আমাদের খুব মনে পরে।'

 এটি লক্ষণীয় যে, পদ্ম বিভূষণ পুরষ্কার প্রাপ্ত মহাশ্বেতা দেবী ২০১১ সালে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে 'পরিবর্তন'-এর আবেদন করে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোকে সমর্থন করেছিলেন।  তিনি বহুল আলোচিত নন্দীগ্রাম আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নিয়েছিলেন এবং পূর্ববর্তী সিপিআই (এম) সরকারের শিল্প নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।  মহাশ্বেতা দেবীর জন্ম ১৯২৬ সালে।  তাঁর পিতা মনীষ ঘটক একজন প্রখ্যাত কবি এবং মা ধরিত্রী দেবীও একজন লেখিকা এবং সমাজকর্মী ছিলেন।  তিনি রাজনৈতিক ও সাহিত্যের পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। ১৯৭৯ সালে মহাশ্বেতা দেব 'অরণ্য অধিকার'-এর জন্য সাহিত্য একাডেমী এবং ১৯৯৬ সালে জ্ঞানপীঠ পুরষ্কারে ভূষিত হন।  পরের বছর তাঁকে রেমন ম্যাগসেসে পুরষ্কার দেওয়া হয়েছিল।  ১৯৮৬ সালে তিনি পদ্মশ্রী, ২০০৬ সালে পদ্মবিভূষণ এবং ২০১১ সালে বঙ্গ বিভূষণ পুরষ্কারে ভূষিত হন।  মহাশ্বেতা দেবী ২৮ জুলাই ২০১৬ তে ইহলোক ত্যাগ করেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad