নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সব জায়গায় করোনা নিজের প্রভাব ফেলছে। এবারে করোনার থাবায় থমকে গেল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ। বহু বাধা টপকে ১৫ জুন শুরু হয়েছিল বউবাজারের নীচে মেট্রোর সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ। কিন্তু কর্মীদের দেহে সংক্রমনের সন্ধান মেলায় বন্ধ করা হল কাজ। সূত্রের খবর, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজের সঙ্গে যুক্ত মোট ১৪ জন কর্মীর শরীরে সংক্রমণ হয়েছে। জানা গিয়েছে এর মধ্যে রয়েছেন টানেল ইনচার্জও।
স্বাভাবিক জীবনের একের পর এক খাতে ছন্দপতন ঘটিয়েছে করোনার থাবা। এবার ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সুরঙ্গ খননের কাজেও ছন্দপতন ঘটাল করোনা। মেট্রোর নির্মাণকারী সংস্থা কেএমআরসিএল সূত্রে খবর, মেট্রোর কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মোট ১৫০ জন। কয়েকজনের উপসর্গ থাকায় তাঁদের করোনা পরীক্ষা করানো হয়। এঁদের মধ্যেই ১৪ জনের পজিটিভ আসে। তারপরই অনির্দিষ্টকালের জন্য ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোর সুরঙ্গ খননের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
প্রথম থেকেই বাধা পাচ্ছিল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সুরঙ্গ খননের কাজ। খননকার্য শুরু হতেই প্রথমে ধ্বস নামে বউবাজারের একাংশে। এরপর কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে না হতেই শুরু হয়ে যায় লকডাউন এর গেরো। পরে ফের বহু বাধা টপকে ১৫ জুন শুরু হয়েছিল বউবাজারের নীচে মেট্রোর সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ। তবে এবারও সম্পন্ন হল না কাজ। পুরোদমে কাজ শুরু হতে না হতেই কর্মীদের দেহে সংক্রমন হওয়ায় বন্ধ করে দেওয়া হয় সুড়ঙ্গ খনন।
নির্মানকারী সংস্থার এক আধিকারিকের দাবী, মাটির ২৫ মিটার নীচে পিপিই পড়ে কাজ করা সম্ভব নয়। যদিও সবরকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েই কাজ শুরু হয়েছিল। প্রতি শিফটে মাত্র ৩০ জন কাজ করছিলেন। কিন্তু তারপরেও করেনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন বেশ কয়েকজন কর্মী। জানা গিয়েছে, যে ১৪ জনের শরীরে ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে এদের সককেই পুনরায় পরীক্ষা করা হবে নির্দিষ্ট দিনের পর। রিপোর্ট সন্তোষজনক এলে ফের কাজ শুরু করা হবে।

No comments:
Post a Comment