বেলগাছিয়া বস্তি‌কে মডেল করার দাবীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে চিঠি ডঃ শান্তনুর - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 16 July 2020

বেলগাছিয়া বস্তি‌কে মডেল করার দাবীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে চিঠি ডঃ শান্তনুর



নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতাবেলগাছিয়া বস্তি‌কে গোটা দেশের মডেল করা উচিৎ, বৃহস্পতিবার এমনটাই দাবি করলেন রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল সাংসদ তথা কলকাতা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ডঃ শান্তনু সেন। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে তিনি চিঠি দিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

লক্ষাধিক মানুষের বাস বেলগাছিয়া বস্তিতে। কিন্তু সেখানে এতদিনে সংক্রমিত হয়েছেন মাত্র ১৪ জন। মৃত্যু হয়েছে দুজনের। সংক্রমণ রোধের নেপথ্যে পুরসভার এন্টিজেন টেস্ট, মাইক্রো প্ল্যানিং ব্যবস্থা রয়েছে বলেই দাবী ওই এলাকার কাউন্সিলর শান্তনু সেনের।

শান্তনুবাবু এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, 'বেলগাছিয়া বস্তি‌তে যখন প্রথম করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলল, সকলে চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। অনেকে ভেবেছিলেন, বস্তি‌ এলাকায় ভয়ংকর আকার নেবে এই সংক্রমণ। কিন্তু তা হয়নি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। এটা এলাকার সাধারণ মানুষের সাহায্যেই সম্ভব হয়েছে। বেলগাছিয়া বস্তি‌কে গোটা দেশের মডেল করা উচিৎ।'

তিনি আরও বলেন, 'প্রথম আক্রান্তের হদিশ মেলার সঙ্গে সঙ্গেই কলকাতা পুরসভা কড়া নজর রাখতে শুরু করে। শুরু হয় ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট। মাইক্রো প্ল্যানিং করে পুরসভা। ঘনঘন স্যানিটাইজ করা হচ্ছিল পুরো বস্তি‌। এসবের পাশাপাশি, আইসিএমআরের নির্দেশিকা মেনে প্রত্যেক বস্তি‌বাসীকে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন দেওয়া হয়েছিল।'

বস্তি‌র বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পুরসভার তরফে তাঁদের কাউন্সিলিং করা হত। ঘরে থাকার জন্য বোঝানো হত। মহারাষ্ট্রের ধারাবিবরণীর পর কলকাতার বেলগাছিয়া বস্তি ও তাই করোনার সংক্রমণ রোধে মডেল ভর্তি হয়ে উঠতে পারে বলেই দাবী করেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, রাজ্য সংক্রমণের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। কিন্তু প্রশাসনের আশঙ্কা ছিল সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষেত্রে বস্তি গুলি অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। যদিও সেই আশঙ্কা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়েছে। দেখা গিয়েছে সংক্রমণের বেশিরভাগ খবরই আসছে বহুতল ও বাজার গুলি থেকে। সেই তুলনায় শহরের বস্তি গুলিতে সংক্রমণের মাত্রা অনেক কম। এক লক্ষের বেশি জনসংখ্যার বেলগাছিয়া বসতিতে সংক্রমিতের সংখ্যা এই মুহূর্তে মাত্র ১৪। দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত একজন বাদে সকলেই সেরে উঠেছেন। নিঃসন্দেহে এই বসতিতে করোনা নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া প্রশংসনীয়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad