গালওয়ানে চীনা সেনাদের সাথে সহিংস সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা শহীদ হওয়ার সপ্তাহ খানেক বাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার চলমান সীমান্ত বিরোধ পর্যালোচনা করতে লাদাখের লেহে পৌঁছেছেন।
মে মাসের শুরুর দিকে সীমান্ত স্ট্যান্ডঅফ শুরু হওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলে কার্যনির্বাহী নেতৃত্বের প্রথম হাই প্রোফাইল সফর। প্রধানমন্ত্রী, ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল 'বিপিন রাওয়াত' এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল 'এম এম নারাভেনের' সাথে আজ সকালে নিমু পৌঁছেছেন এবং সেনা, বিমান বাহিনী এবং আইটিবিপি সদস্যদের সাথে মত-বিনিময় করেছেন।
"আপনাদের সাহস আজ আপনাদের যে পোস্টে, পোস্ট করা হয়েছে তার থেকেও উচ্চ। যখন দেশের নিরাপত্তা আপনাদের হাতে থাকবে, তখন একটি বিশ্বাস থাকবে। শুধু আমাকে নয়, গোটা জাতি আপনাদের বিশ্বাস করে এবং কেউই চিন্তিত নয়। আপনারা প্রতিটি নাগরিককে দিনরাত কাজ করার জন্য অনুপ্রাণিত করেন। আপনারা এবং আপনাদের দৃঢ় সংকল্পের কারণে 'আত্মনির্ভর ভারত' -এর জন্য আমাদের সংকল্প আরও দৃঢ় হয়েছে। আপনাদের দেখানো বীরত্ব বিশ্ব মোর্চায়, ভারতের শক্তি দেখিয়েছে।" সংঘর্ষে আহত সৈন্যদের পাশাপাশি স্থানীয় সামরিক নেতৃত্ব, এক্সআইভি কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল 'হরিন্দর সিংয়ে'র সাথে দেখা করার পরে, 'নরেন্দ্র মোদী' একথা বলেছেন।
মোদী আরও বলেন, “ভারতের শত্রুরা আপনাদের আগুন ও ক্রোধ দেখেছে। যারা দুর্বল তারা কখনই শান্তির সূচনা করতে পারে না। সাহসিকতা শান্তির জন্য পূর্ব শর্ত। আপনাদের ইচ্ছা শক্তি হিমালয়ের মতো শক্তিশালী এবং দৃঢ় ; পুরো দেশ আপনাদের প্রতি গর্বিত। "
গত রবিবার তাঁর 'মান কি বাতে'র ভাষণকালে সৈন্যদের শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে মোদী বলেছিলেন, “লাদাখে ভারতের মাটিতে যারা মন্দ দৃষ্টি রেখেছিল তারা উপযুক্ত সাড়া পেয়েছে। ভারত বন্ধুত্বের চেতনাকে সম্মান জানায়… তিনি হতাশ না হয়ে কোনও প্রতিপক্ষকে উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া জানাতেও সক্ষম। আমাদের সাহসী সৈন্যরা প্রমাণ করেছেন যে, তারা কাউকে ভারত মাতার গৌরব ও সম্মানের দিকে নজর দিতে দেবেন না। ”
রিয়া মণ্ডল...

No comments:
Post a Comment