সুশান্ত সিং রাজপুতের পরিবার পাটনার রাজীব নগর থানায় দায়ের করা একটি এফআইআর-এ সুশান্তের প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তী এবং তার পরিবারকে সুশান্তকে প্রেমের জালে জড়িয়ে ব্ল্যাকমেল করছে বলে অভিযোগ করেছে। সুশান্তের বাবা অভিযোগ করেছেন যে, রিয়া এবং তার পরিবার সুশান্তকে ব্ল্যাকমেল করে এবং তাঁর কোটি কোটি টাকা নিজেদের নামে করে নেন। মুম্বাই পুলিশ সুশান্তের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও তদন্ত করেছিল, যেখানে দেখা গিয়েছিল যে সুশান্তের অর্থ দিয়ে রিয়া খরচ চালাত।
মুম্বাই পুলিশ জানায়, ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে সুশান্তের কোটাক মাহিন্দা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ছয় থেকে সাত কোটি টাকা ছিল, যা তার মৃত্যুর সময় ছিল মাত্র আড়াই কোটি টাকা। সুশান্ত রয়্যালটি ও অ্যাড থেকে টাকা পেতেন। এই অ্যাকাউন্ট থেকে সমস্ত ব্যয় চালাতেন। প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা নগদ ব্যক্তিগত ব্যয়ের জন্য ব্যবহৃত হত।
সুশান্ত রিয়ার জন্য কতটা খরচ করেছেন?
পুলিশ জানিয়েছে, সুশান্ত রিয়া চক্রবর্তীর জন্য অর্থ ব্যয় করেছিলেন, তবে কি সেই পরিমাণটি বড়?- পুলিশ এটি খতিয়ে দেখছে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিতও দেয় যে রিয়ার ব্যয় একই অ্যাকাউন্ট থেকে হত, শপিং এবং স্পা-তেও খরচ হত। থমাস কুককে ৪৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। পুলিশও এটি তদন্ত করছে। এটি ইউরোপ ভ্রমণের জন্য অর্থ হতে পারে। আসলে, সুশান্ত, রিয়া এবং তার ভাই এই সময়ে ইউরোপ সফরে গিয়েছিলেন।
সুশান্তের আর্থিক চাপ ছিল না- সিএ
প্রতি মাসে সাড়ে তিন লাখ টাকা হিসেবে বান্দ্রার বাড়ীর এক বছরের ভাড়া দিয়েছিলেন। যে সংস্থাগুলি তৈরি হয়েছিল সেগুলি কাগজে ছিল, সেগুলোতে কোনও বিনিয়োগ ছিল না। সুশান্তের সিএ জিজ্ঞাসাবাদের সময় বলেছিলেন যে, তাকে আর্থিকভাবে চাপ দেওয়া হয়নি। সুশান্তের কাছে টাকা ছিল। টাকা আসত এবং খরচও হয়ে যেত।
মুম্বাই পুলিশ বিহারে এফআইআর নথিভুক্ত করার পরে, কে এই অর্থ ব্যয় করত তা খতিয়ে দেখছে। পুলিশ তদন্ত করছে যে অন্ধেরির ওয়াটার স্টোন রিসর্টে বুকিং করে রাখা হয়েছিল। কেন করেছিল? এর অর্থও এই অ্যাকাউন্ট থেতে ব্যবহৃত হত। পুনের কাছে পাভানা বাঁধের কাছে একটি ভিলা ভাড়া নিয়েছিল। তার ভাড়াও সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকেই যেত।

No comments:
Post a Comment