বিহারের বন্যার ফলে মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। মানুষ বিভিন্ন ধরণের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে যদি কারও কষ্টার্জিত অর্থ চলে যায় তবে তার কী হবে। গোপালগঞ্জের প্রবীণ বাসিন্দা শিবজি চৌধুরীকে নিয়েও একই ঘটনা ঘটেছিল। যার ২৫ হাজার টাকা হেলিকপ্টারটির বাতাস থেকে কোথাও উড়েছে।
এই মামলাটি গোপালগঞ্জের বড়ুলীর নেউড়ি গ্রামের সাথে সম্পর্কিত। বন্যার কারণে মানুষ গন্ডাক খালের তীরে আশ্রয় নিয়েছে। শিবজি চৌধুরী তাঁর আয়ের টাকা মানিব্যাগে রেখেছিলেন এবং মানিব্যাগটি একটি ছাতার নীচে লুকিয়ে রেখেছিলেন। হেলিকপ্টারটি খাবারটি নামতে আসতেই অর্থের মানিব্যাগটি বাতাস থেকে ছাতা নিয়ে কোথাও চলে গেল।
শিবজি চৌধুরী তাঁর মহিষ বিক্রি করে এই অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন। এখন তার এক টাকাও নেই। প্রবীণরা খারাপ অবস্থায় আছেন। এই সময়ে লোকেরা তার টাকার মানিব্যাগটি অনেক খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কাউকে পাওয়া যায়নি।
এসময় স্থানীয় বিধায়ক মোহাম্মদ নিমতুলা ঘটনাস্থলে এসে বৃদ্ধকে সান্ত্বনা দেওয়ার সময় ৪০০ রুপি দিয়েছিলেন। তবে প্রবীণরা এই অর্থ নিতে অস্বীকার করেছিলেন এবং বিধায়কের একটি জিনিসও শোনেননি।
বিহারে বন্যা ও বৃষ্টির কারণে লোকেরা খারাপ অবস্থায় রয়েছে। এখন পর্যন্ত বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং অনেক বাড়িঘরও ধ্বংস হয়েছে। সরকারের তরফে জনগণের কাছে ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment