পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে একটি মর্মান্তিক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। খায়রপুর জেলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিক্ষকের ১০ বছর বয়সী শিশুটির শারীরিকভাবে শোষণ করার সময়ের ভিডিও এবং ছবি ভাইরাল হওয়ার পরে পুলিশ এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
বলা হচ্ছে যে শিক্ষক তাদের বাড়িতে টিউশন পড়তে আসা শিশুদের হেনস্থা করতেন। তিনি এ পর্যন্ত প্রায় ১২ জন শিশুদের শারীরিক নির্যাতন করেছেন। তাদের ছবি তোলেন এবং ভিডিওও বানিয়েছিলেন।
অভিযুক্তের নাম সারং শর। সন্তানের সাথে সারংয়ের ছবি ১৬ জুলাই ভাইরাল হয়েছিল। পুলিশ ১৭ জুলাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।
সিন্ধু পুলিশ জানিয়েছে, থারী মিরওয়াহে দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শোষণের ঘটনার পরে মূল আসামি সারং শরকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল।
আসলে, শিক্ষকের শিশুটির শারীরিক শোষণের ছবি ভাইরাল হয়েছিল। লোকেরা শিশুটির বিচারের দাবি করছিল।
বলা হচ্ছে যে সরঙ্গ অবসর নেওয়ার পর নিজের বাড়িতে বাচ্চাদের টিউশন দিতেন। এখানে তিনি শিশুদের শারীরিক নির্যাতনও করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি বাচ্চাদের ভিডিওও তৈরি করেছেন।
বলা হচ্ছে যে শিশুরা এখানে পড়াশোনা করতে আসত তাদের বয়স ১০-১২ বছর। এখন দুই সন্তানের পরিবার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছে।
করোনার ভাইরাসের কারণে স্কুলটি বন্ধ রয়েছে। সেই থেকে শিশুরা শিক্ষকের বাড়িতে পড়াশোনা করতে যাচ্ছিল। শিক্ষক সম্প্রতি অবসর নিয়েছেন।


No comments:
Post a Comment