স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ভাষণের পর পরই তৃণমূলের হ্যাশট্যাগ 'বেঙ্গল রিজেক্ট বিজেপি' ট্যুইটারে হিট - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 10 June 2020

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ভাষণের পর পরই তৃণমূলের হ্যাশট্যাগ 'বেঙ্গল রিজেক্ট বিজেপি' ট্যুইটারে হিট




নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনার তাণ্ডবে মাঠে নেমে প্রচার সম্ভব নয়, তাই নেট দুনিয়াই রাজনৈতিক দলগুলির নতুন হাতিয়ার। আর এই ডিজিটাল মাধ্যমে পদ্মফুল নাকি ঘাসফুল এগিয়ে থাকে প্রচারে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর টক্কর। অমিত শাহের ভার্চুয়াল সভার মধ্যে থেকেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছে বিজেপি। তবে পিছিয়ে নেই তৃণমূলও। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ভাষণের কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্যুইটারে হ্যাশট্যাগ দিয়ে পাল্টা‌ প্রচারে নেমেছে ঘাসফুল শিবির।

ট্যুইটারে দেখা গেছে বাংলার জনসমাবেশ হ্যাশট্যাগ দিয়ে বেশ দ্রুত এগোচ্ছিল বিজেপি। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভার্চুয়াল সভার দিন তৃণমূলের হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখা 'বেঙ্গল রিজেক্ট বিজেপি' জনপ্রিয় হয়েছে আরও বেশি ট্যুইটার ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে বিজেপির হ্যাশট্যাগ রি ট্যুইট করা হয়েছে ৩৫ হাজার বার। সেখানে তৃণমূলের হ্যাশট্যাগ কে রি ট্যুইট করা হয়েছে ৮৫ হাজার বার। অন্যদিকে দেখা গেছে বিজেপির হ্যাশট্যাগ রি-ট্যুইট করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে চল্লিশটি অ্যাকাউন্ট। কিন্তু তৃণমূলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে মাত্র ১৪টি অ্যাকাউন্ট।

স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূলের এইভাবে হঠাৎ করে এগিয়ে যাওয়াতে অপ্রস্তুত হয়ে পরেছে বিজেপির আইটি সেল। একই সঙ্গে পিকের মস্তিষ্কপ্রসূত প্রত্যেকটি নিশানা যে ঠিক জায়গায় লাগছে তা বলাই বাহুল্য। প্রথমদিকে বিজেপির হ্যাশট্যাগ দিয়ে 'আর নয় মমতা'র পাল্টা প্রচারে নেমেছিল তৃণমূল। ট্যাগ লাইন ছিল 'বাংলার গর্ব মমতা'। এই নিয়ে বিধায়কদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল নিজেদের এলাকায় প্রচার করতে। সেইমত কাজ শুরু হলেও করোনা আবহে তা মাঝপথেই আটকে যায়। এরপর লকডাউন হয়ে যাওয়ায় তৃণমূল কার্যত বুঝতে পারছিল না তারা কিভাবে পুনরায় প্রচারে নেমে মানুষের কাছাকাছি পৌঁছাবেন। এরপরই পিকের মস্তিষ্কপ্রসূত পরিকল্পনায় ডিজিটাল মিডিয়াতে প্রচারের দৌড় শুরু হয়। আর তাতেই কার্যত বিজেপিকে পেছনে ফেলে অনেকখানি এগিয়ে গেছে ঘাসফুল শিবির। তবে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে কে এগিয়ে থাকবে সেটা অবশ্য সময় বলবে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad