নিজস্ব সংবাদদাতা,আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার-কোচবিহার আন্ত:জেলা সরকারি বাস চলাচলে করোনা আতংক চেপে বসেছে আলিপুরদুয়ার জেলায়। গত ২৪ ঘন্টায় গ্রিন জোন কোচবিহারে ৩২ জন করোনা সংক্রামিত রোগীর সন্ধান পেয়েছে কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। তারপর থেকেই আলিপুরদুয়ার-কোচবিহার সরকারি বাস চলাচল ভয়ের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে জেলা বাসির কাছে। জেলা শহরের সাধারন মানুষ দাবী তুলছেন আপাতত গ্রিন জোনে থাকা আলিপুরদুয়ারে এই বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হোক।প্রতিদিন গড়ে কোচবিহার থেকে জেলায় ৪০০-৫০০ মানুষ আসছেন। আবার আলিপুরদুয়ারের জনসাধারণ এই বাসেই কোচবিহারে যাচ্ছেন। সেখানে দিনভর বহু মানুষের সাথে মেলামেশা করছেন। জেলা সদরের মানুষের আশংকা আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে এই অবাধ যাতায়াতের জেরে যে কোন সময় করোনা ছড়াতে পারে সবুজ জেলা আলিপুরদুয়ারে।
উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার আলিপুরদুয়ার ডিপোর সামনে অবস্থিত স্থানীয় ব্যবসায়ীরা করোনা সংক্রমনের আতংকে দিন কাটাচ্ছেন। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য কোচবিহারে বাস নিয়ে যাওয়া চালক, কন্ডাকটর বা যাত্রীদের থেকে তারা দূরত্ব বজায় রাখছেন। দোকানে বাসের চালক, কন্ডাকটররা এলে তাদের দোকানের বাইরে থেকেই জিনিসপত্র বিক্রি করা হচ্ছে।
গত ২৭ তারিখ থেকে আলিপুরদুয়ার-কোচবিহার সরকারি বাস পরিষেবা চালু হয়েছে। শুক্রবার কোচবিহারে করোনা রোগীর সন্ধান মেলে। তবে শনিবার পর্যন্ত কোচবিহার গামী কিংবা কোচবিহার থেকে যাত্রী নিয়ে জেলায় আসা সরকারি কোন বাসে কোন রকমের সুরক্ষা দেওয়া হয়নি। এমনকি যাত্রীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোওয়া বা গাড়িতে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে দেখা যায়নি এনবিএসটিসি কর্তৃপক্ষকে।
উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার বোর্ড অফ ডিরেক্টর মৃদুল গোস্বামী জানান, যাত্রী সুরক্ষা করেই বাস চালানো হচ্ছে। এই আলিপুরদুয়ার কোচবিহার বাস চালানো হচ্ছে রাজ্য সরকারের গাইড লাইন মেনে। যদি কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার থাকে পরিবহন দপ্তর সিদ্ধান্ত নেবে।
No comments:
Post a Comment