পরিবার বলতে কি শুধুই রক্তের সম্পর্ক? কিংবা নাড়ির টান না থাকলে কি কাউকে পরিবারের সদস্য বলা যায় না? এর এক কথায় উত্তর যাই হোক বাস্তবে এমন উদাহরণ কিন্তু অনেক আছে যেখানে মা-বাবা, ভাই-বোন ছাড়াও প্রতিবেশী কিংবা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে মানুষের পারিবারিক ও আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
অনেক অসহায় সময়ে রক্তের মানুষদেরও আগে তারা ছুটে আসেন, আশ্রয় দেন। অনাথ আশ্রম থেকে নিয়ে আসা কোন বাচ্চার মুখের দিকে তাকিয়ে নিঃসন্তান দম্পতি কাটিয়ে দেন গোটা একটা জীবন; আত্মার টানেই।
বিবেক-মানবিকতাই একটা আদর্শ ‘পরিবার’ গড়ে তুলতে পারে। তেমনই এক গল্পের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ‘কেয়ার অফ চ্যাটার্জি’। যেখানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এক অসহায় যুবকের ভূমিকায় দেখা গেছে রুদ্রনীল ঘোষকে। আর তার দায়িত্ব নেওয়া এক বৃদ্ধ দম্পতির ভূমিকায় আছেন সৌমিত্র চ্যাটার্জি ও সাবিত্রী চ্যাটার্জি।
সৌর্য দেবের পরিচালনায় এখানে ফুটে উঠেছে মানবিকতার দারুণ এক চিত্র, যা দর্শকের মনকে আন্দোলিত করবে, ভাবাবে বলে মনে করেন নন্দিত অভিনেতা রুদ্রনীল।
ছবিতে অসহায় এক যুবক তিনি। তাকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে শর্ট ফিল্মের গল্প। ঘটনাচক্রে তার মা-বাবাকে হারিয়েছে সে। তার একমাত্র আশ্রয় বলতে এখন প্রতিবেশী চ্যাটার্জি কাকু আর কাকিমা। যারা দিনরাত নিজের সন্তানের মতোই দেখভাল করেন তার। খাইয়ে দেওয়া, বাইরের ঘোরাতে নিয়ে যাওয়া থেকে সবকিছুর জন্যেই ভাগ্যের ফেরে এই বৃদ্ধ দম্পতির প্রতি নির্ভরশীল সে।
চ্যাটার্জি কাকু আর কাকিমাই এখন তার মা-বাবা। কীভাবে নিজেদের বার্ধক্যের যন্ত্রণার মাঝেও এক অনাত্মীয়কে আপন করে নিলেন, বুকে টেনে নিলেন বিশেষচাহিদা সম্পন্ন এক প্রতিবেশী পরিবারের ছেলেকে, সেই গল্পই ফুটে উঠল ‘কেয়ার অফ চ্যাটার্জি’তে।
সুগম হোমসের ফেসবুক পেজে সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘কেয়ার অফ চ্যাটার্জি’।

No comments:
Post a Comment